শহরে বাড়ছে নতুন জন্তুর আনাগোনা, থাবা বসাচ্ছে জলাতঙ্ক, আতঙ্ক বেলগাছিয়া, দমদম, বাঁশদ্রোণীতে
শহরে বাড়ছে নতুন জন্তুর আনাগোনা, থাবা বসাচ্ছে জলাতঙ্ক, আতঙ্কে বেলগাছিয়া, দমদম, বাঁশদ্রোণী
করোনার ভয় নিস্তব্ধ শহুরে জীবন। আর এই নিস্তব্ধতার সুযোগে গুটি গুটি পায়ে শহরে ঢুকে পড়ছে লোমশ মাংসাসী শেয়ালের দল। শহর জুড়ে প্রায় ৪০টি শেয়াল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। দমদম, বাঁশদ্রোণী, বেলগাছিয়া এলাকায় আঁধার নামলেই শোনা যাচ্ছে শেয়ালের ডাক। আর এর থেকেই ছড়াতে শুরু করেছে জলাতঙ্ক।

শহরে হানা দিচ্ছে শেয়াল
করোনা সংক্রমণের মধ্যেই এক মাংসাসী জন্তু থাবা বসাতে শুরু করেছে মহানগরে। অন্ধকার নামলেই তাদের দাপট বাড়ছে। সম্প্রতি বেলগাছিয়াস দমদম স্টেশন এবং বাঁশদ্রোণী এলাকায়ে দেখা গিয়েছে তাদের। সূত্রের খবর বেলগাছিয়া এলাকায় প্রায় আটটি, দমদম স্টেশন সংলগ্ন েলাকায় চারটি এবং বাঁশদ্রোণীতে পাঁচটি শেয়ালের আনাগোনা দেখা গিয়েছে। গোটা শহরে প্রায় ৪০টিরও বেশি শেয়ার ঘুরছে।

বাড়ছে জলাতঙ্ক
হঠাৎ করে শহরে জলাতঙ্ক বাড়তে শুরু করায় চনক নড়ে পশু চিকিৎসকদের। তাঁরা জানিয়েছেন এই শেয়ালের দল কুকুরকে কামড়ে দেওয়াতেই বাড়ছে বিপত্তি। কারণ শেয়ালের কামড় খাওয়ার পরেই যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে কুকুর ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত ছুটে যায়। তার পথে কেউ এসে পড়লেই তাকে কামড়ে দেয় কুকুরটি। সঙ্গে সঙ্গে সেটা জলাতঙ্কের মত ভয়ঙ্কর রোগের আকার নেয়। শেয়ালের কামড়ে কুকুরের সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমে এফেক্ট করে। তারপরে ৭ থেকে ১৪ দিনের বেশি বাঁচে না।

শহরে হানা দিচ্ছে বন্য জন্তু
হঠাৎ করে করোনা লকডাউন শুরু হওয়ায় শহরাঞ্চলে বন্য জন্তুর আনাগোনা বাড়ছে। অনেকেই বন্ধ কলকারখানা বা শহর লাগোয়া ঝোপঝাঁড়ের মধ্যে শেয়ালের দেখা পাচ্ছেন। এরকম কোনও শেয়ালের দেখা পেলে অবিলম্বে বনদফতরকে খবর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পশু চিকিৎসকরা। নইলে জলাতঙ্কের মতো মারণ রোগ আটকানো যােব না।

করোনায় স্তব্ধ জনজীবন
করোনা সংক্রমণের কারণে মহানগরের জনজীবন অনেকটাই থেমে গিয়েছে। রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা কম। কমছে মানুষের আনাগোনাও। তার উপরে বর্ষা শুরু হওয়ায় ঝোপজঙ্গল বাড়ছে। এই সুযোগে শহরের ভেতরে গুটি গুটি পা বাড়াতে শুরু করেছে শেয়ালের দল।












Click it and Unblock the Notifications