তিন দফার ভোট এক দফায় কেন, ফের পঞ্চায়েত নির্বাচন বন্দি হচ্ছে মামলার ফাঁসে
আদালতে বহু আইনি-যুদ্ধ পেরিয়ে পঞ্চায়েত ভোট এবার একটু আলোর মুখ দেখতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে আবার আইনি-গেরো লেগে গেল।
আদালতে বহু আইনি-যুদ্ধ পেরিয়ে পঞ্চায়েত ভোট এবার একটু আলোর মুখ দেখেছিল। নয়া নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনার ভোট প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছিলেন। কিন্তু সেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে আবার আইনি-গেরো লেগে গেল। অর্থাৎ পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভবিষ্যৎ ফের অন্ধকারময় হয়ে উঠল।

সোমবার আবারও তিন দফায় ভোট করার দাবি নিয়ে হাইকোর্টে যাচ্ছে বিজেপি। শুক্রবারই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল সিপিএম ও পিডিএস। এবার বিজেপিও সেই মামলার পার্টি হচ্ছে। বিজেপির দাবি, আগের বিজ্ঞপ্তিতে তিন দফায় ভোট করা হয়েছিল, এবার এক দফায় কেন? শনিবার বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা এই প্রশ্ন তুলে বলেন, আমরা সোমবার আদালতের শরণাপন্ন হচ্ছি।
কলকাতায় প্রতিবাদ সভা করে তিনি বলেন, আমরা হাইকোর্টে দাবি জানাব এক দফায় ভোট করার মতো নিরাপত্তা বাহিনী রাজ্যের হাতে নেই। এই অবস্থায় রাজ্য সরকারের পক্ষে ভোটে সুরক্ষা ব্যবস্থা দেওয়া সম্ভব নয়। রাজ্য বলছে ভিনরাজ্য থেকে বাহিনী নিয়ে আসবে। রাহুলের প্রশ্ন, ভিনরাজ্য থেকে বাহিনী যখন আনতেই হবে, তাহলে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে কেন আপত্তি রাজ্যের সেই প্রসঙ্গও আদালতে উত্থাপন করবে বিজেপি।
পঞ্চায়েত ভোটের-ভবিষ্যৎ ক্রমশ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে। একের পর এক মামলায় জর্জরিত এবারের পঞ্চায়েত ভোট। এই অবস্থায় সোমবার বাহিনী সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। কোন বুথে কতজন করে বাহিনী, তা রিপোর্ট আকারে পেশ করতে হবে হাইকোর্টে। তারপরই আদালত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্যে এক দফায় পঞ্চায়েত ভোট করার মতো পরিস্থিতি রয়েছে কি না।
সিপিএম ও পিডিএস শুক্রবার হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে। সোমবার আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি। এই অবস্থায় পঞ্চায়েত ভোটের ভবিষ্যৎ ফের আদালতের হাতে যেতে চলেছে। আগের দিনই কমিশনের কাছে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছিল, তারা সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেই পঞ্চায়েত ভোটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না। তারপর এদিব তড়িঘড়ি ১০ দলকে ডেকে পৃথক পৃথক বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকও ফলপ্রসূ হয়নি এদিন। সব দলই ক্ষুন্ন, নির্বাচন কমিশনের পঞ্চায়েত ভোট ব্যবস্থায়।












Click it and Unblock the Notifications