বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ধমকেই কাজ, চাকরি প্রার্থীর ইন্টারভিউ নিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ
এক ধমকেই কাজ হল। চার ঘণ্টা সময় ছিল। তার মধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। চাকরি প্রার্থী পল্লব বারিকের ইন্টারভিউও নেওয়া হল।অ্যাপটিটিউড টেস্টও নিলেন পর্ষদ কর্তারা। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রীতিমতো এদিন ধমক মেরেছিলেন।
টেট নিয়ে আরও একটি মামলা। ফের কাঠগড়ায় পর্ষদ। পল্লব বারিক নামে এক ব্যক্তি এই মামলা করেছিলেন।২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার্থী পল্লব। তিনি ওই পরীক্ষায় পাশ করেননি। এমন কথা জানিয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। এরপর গত বছর ফের জানানো হয়, পল্লব পাশ করেছেন। শুধু পাশই করেননি। ৯২ শতাংশ নম্বরও পেয়েছেন।

এবার৷ আদালতের দ্বারস্থ হন পল্লব। তিনি কত নম্বর পেয়েছেন, সেটি জানার জন্যই মামলা। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে ওই মামলা হয়। পর্ষদের ভূমিকা নিয়েও হতবাক বিচারপতি। গত ২১ সেপ্টেম্বর বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, পল্লবকে প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।
আজ শুক্রবার ওই মামলার ফের শুনানি ছিল। তখন বিচারপতি জানতে পারেন, এই সময়ের মধ্যে কোনও ভূমিকাই নেয়নি পর্ষদ। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সেই নির্দেশ মানেনি। পর্ষদ কি ইচ্ছে করে নির্দেশ মানেনি? তাহলে আজ শুক্রবারই ওই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে।
চার ঘণ্টার মধ্যে ওই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। না হলে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল আদালত অবমাননার দায়ে পড়বেন। চাকরিপ্রার্থী পল্লব বারিককে পর্ষদ অফিসেও পাঠানো হয় আদালতের তরফ থেকে। দুপুর ৩.২০ মিনিট অবধি সেই সময়সীমা ছিল। বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেও পর্ষদ ওই নির্দেশ মেনেছে কী না? তাই নিয়ে ধন্দ শুরু হয়।
পর্ষদ সভাপতি আদালত অবমাননার দায়ে পড়তে চাননি। জানা গিয়েছে, ওই চাকরি প্রার্থীর এদিনই ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে। অ্যাপটিটিউড টেস্টও নেওয়া হয়েছে একই দিনে। পরবর্তী পদক্ষেপও দ্রুত করা হবে বলে খবর। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ওই নির্দেশ, ধমকের পরেই নড়েচড়ে বসে পর্ষদ।












Click it and Unblock the Notifications