তৃণমূল ভাবছে বিরাট জয়, আদতে গণতন্ত্রের হত্যা হল রাজ্যে! সমালোচনা অধীরের
পঞ্চায়েতের চূড়ান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়ের তীব্র সমালোচনা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, এটা হতে পারে না যে সুপ্রিম কোর্টের উপরে কোনও সত্যি নেই।
পঞ্চায়েতের চূড়ান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়ের তীব্র সমালোচনা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় আমরা মানতে বাধ্য। কিন্তু তা বলে এটা হতে পারে না যে সুপ্রিম কোর্টের উপরে কোনও সত্যি নেই। এটা আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করছি যে, রাজ্যে গণতন্ত্রের হত্যা হয়েছে।

অধীর চৌধুরীর কথায়, সুপ্রিম কোর্টের এদিন রায়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস এটাকে বিরাট জয় বলে ব্যাখ্যা করবে, এটাই স্বাভাবিক। তৃণমূলের হাসি বাড়ল এই রায়ের ফলে। কিন্তু আদতে রাজ্যে গণতন্ত্রের হত্যা হল। কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া রাজ্যে সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট সম্ভব নয়। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আগেও এ কথা বলেছে।
এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও তাই গণতন্ত্রের হত্যা হয়েছে। শুধু ৩৪ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ই নয়, ৬৬ শতাংশ আসনে যে লড়াই হয়েছে, তাও প্রহসন হয়েছে। একথা আগেও বলেছি, এখনও বলছি, আগামী দিনেও বলব। কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া রাজ্যে ভোট হওয়া সম্ভব নয়।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, যদিও আমরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আসনে পুনরায় ভোটের দাবি জানাইনি। তবু বলছি, এখন ৩৪ শতাংশ আসন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রভাব পড়ত বাকি ৬৬ শতাংশ আসনে। পুরো প্রক্রিয়াটাই ভেস্তে যেত, সেখানে থেকে এই তাৎপর্যপূর্ণ রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট।
তারপর নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার কথা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু এই বিষয়টি কতখানি মান্যতা পাবে, তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রয়েই যায়। কেননা পঞ্চায়েতে মনোনয়ন করতে পারল না যাঁরা, তাঁরা কীভাবে আবেদন করবে বা তাদের আবেদন কতটা গ্রাহ্যনীয় হবে, সেটাও দেখার।












Click it and Unblock the Notifications