আরজি কর থেকে কসবা, প্রশ্নের মুখে ইন্টেলিজেন্স, সরানো হল মুরলীধর শর্মাকে
বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা পুলিশে। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মাকে সরিয়ে দেওয়া হল। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদেও ছিলেন তিনি। হঠাৎ করে কেন এই সরিয়ে দেওয়া? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কলকাতায় একের পর এক দুষ্কৃতী কাণ্ড ঘটছে। সর্বশেষ কসবায় তৃণমূল কাউন্সিলরকে প্রকাশ্যে প্রাণে মারার চেষ্টা হয়েছে।
এই অবস্থায় কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। বিরোধীরা কলকাতা পুলিশকে ইঙ্গিত করে তীব্র খোঁচা দিচ্ছে। একই পথে হেঁটেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কলকাতা পুলিশ পক্ষপাতদুষ্ট সেই অভিযোগ করেছেন স্বয়ং রাজ্যপাল।

কসবা কাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্বরাও সরব। রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। গোয়েন্দা ফেলিওয়র নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন কলকাতার মেয়র তাই নিয়ে যথেষ্ট জল্পনা শুরু হয়। কসবা কাণ্ডে বিতর্কের মধ্যে তদন্তে গতি এনেছে কলকাতা পুলিশ। তার মধ্যেই পুলিশের উপরমহলে এই রদমহল।
কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মুরলীধর শর্মাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বদলি করে তাঁকে পাঠানো হল ব্যারাকপুর পুলিশ একাডেমিতে৷ অপেক্ষাকৃত অনেকটাই কম গুরুত্বপূর্ণ পদে পাঠানো হল মুরলীধর শর্মাকে।
তাঁর জায়গায় নতুন এডিশনাল সুপার পদে এসেছেন প্রণব কুমার।
অন্য দিকে, হাওড়ার গ্রামীণ এসপি স্বাতী ভাঙ্গালিয়াকে বদলি করা হয়। তাঁর জায়গায় বসানো হয়েছে সুবিমল পালকে। আরজি কর কাণ্ডের সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কলকাতা পুলিশ আরজি কর কাণ্ডে তথ্য প্রমাণ লোপাট করেছে। এই অভিযোগ এখনও ওঠে। জুনিয়র চিকিৎসকরা তৎকালীন কমিশনার বিনীত গোয়েলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন।
লালবাজারে অবস্থান কর্মসূচিও করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। বিনীত গোয়েলের অপসারণ নিয়ে জোরালো দাবি তোলা হয়। শেষপর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বিনীত গোয়েলকে সরানো হয়েছিল কলকাতা পুলিশের পদ থেকে। তার কয়েক মাস পরেই এবার সরানো হল কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুরলীধর শর্মাকে।'












Click it and Unblock the Notifications