যৌনপল্লি থেকে ফেরার পথে শ্লীলতাহানি! বান্ধবীকে নগ্ন ছবি পাঠানোর প্রস্তাব! চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস সঞ্জয়ের
RG Kar Hospital Dotor Death: আরজি কর কাণ্ডে সব সত্যি ফাঁস করে দিল ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ধৃত সঞ্জয় রায়। রবিবার প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে ধৃত কলকাতা পুলিশের এই সিভিক ভলান্টিয়ারের পলিগ্রাফ টেস্ট করেছে সিবিআই আধিকারিকরা। আর তাতেই সঞ্জয় সেই রাতের সব ঘটনা স্বীকার করে নিয়েছে বলে সূত্রের খবর। আর তা সামনে আসার পরেই তদন্তে এবার একেবারে সিবিআই জাল গোটাতে শুরু করেছে বলে জানা যাচ্ছে।
গত ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ঘটনায় ধর্ষণ করে নৃশংস ভাবে খুনের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সঞ্জয় নামে এই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে সিবিআই সেই মামলার তদন্ত করছে।

সূত্রের খবর ৮ তারিখ রাতে কী হয়েছিল, সেই কথা পলিগ্রাফ টেস্টে জানিয়েছে সঞ্জয়। অভিযুক্তর দাবি, ঘটনার রাতে সে দুটি নিষিদ্ধ পল্লী অর্থাৎ সোনাগাছি এবং চেতলায় গিয়েছিল। কিন্তু কোথাও কোনও যৌন সংসর্গে আসেনি। তবে ফেরার পথে এক মহিলার শ্লীলতাহানির চেষ্টা সে করে বলে পলিগ্রাফ টেস্টের সময় সঞ্জয় জানিয়েছে বলে দাবি। সেই ঘটনা ইতিমধ্যে সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বলেও খবর। সঞ্জয় আরও জানিয়েছে যে সে তার প্রেমিকাকে সেই রাতে নগ্ন ছবি পাঠাতে বলেছিল।
ঠিক কী কী হল সেই রাতে, ঘটনা ক্রম হিসেবে সঞ্জয় বলছে, ৮ আগস্ট তার বন্ধুর ভাইকে দেখতে আর জি কর হাসপাতালে গিয়েছিল। সঙ্গে ছিল তার বন্ধু। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তারা দুজন মদ খাবে বলে ঠিক করে। তারপর মদ কিনে রাস্তাতেই খেয়ে নেয়। প্রথমে তারা সোনাগাছিতে যায়। সেখানে কোনও সুযোগ না পেয় তারা চলে যায় দক্ষিণ কলকাতায় চিতলায় অন্য একটি রেড লাইট এরিয়ায়।
সেখানে গিয়ে তার বন্ধু এক মহিলার সঙ্গে ভিতরে চলে যায় সেই সময় সঞ্জয় বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল। সেখানে দাঁড়িয়েই সে তার প্রেমিকাকে ভিডিও কল করে এবং নগ্ন ছবি পাঠাতে বলে। এরপর তারা দুজনেই আবারও আরজিকর হাসপাতালে ফিরে আসে বলে টেস্টের সময় সঞ্জয় জানিয়েছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, হাসপাতালে গিয়েই সোজা সে ফোর্থ ফ্লোরে ট্রমা সেন্টারে চলে যায়।
ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ করিডোরে হাঁটতে দেখা দিয়েছে সঞ্জয়কে। সিসিটিভি ফুটেছে ধরা পড়েছে সেই দৃশ্য। এরপর সঞ্জয় প্রবেশ করে সেমিনার হলে। সেখানে তখন ঘুমোচ্ছিলেন ট্রাস্ট মেডিসিন বিভাগের ওই তরুণী চিকিৎসক 'অভয়া'। তার মুখ বন্ধ করে শ্বাসরোধ করে সঞ্জয় এরপর তাকে ধর্ষণ করে বেরিয়ে যায় ও কলকাতা পুলিশের অফিসার অনুপম দত্তের বাড়িতে চলে যায়।
সিবিআই সূত্রের খবর সঞ্জয়ের মোবাইলে প্রচুর পর্নোগ্রাফিক কন্টেন্ট পাওয়া গিয়েছে। যৌন সম্পর্কিত দৃশ্য রয়েছে সেখানে। এসব দেখেই তার মানসিক পরীক্ষা জরুরি বলে মনে করে সিবিআই।












Click it and Unblock the Notifications