বাগুইআটিতে ছাত্র মৃত্যু, মমতার পদত্যাগের দাবিতে সরব গেরুয়া ছাত্র সংগঠন
বাগুইআটিতে ছাত্র মৃত্যু মিয়ে এবার প্রতিবাদে নামল এবিভিপি। তাঁরা বলছেন পশ্চিমবঙ্গে একের পর এক খুন এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটেই চলেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযুক্তরা তৃণমূলের নেতা বা তৃণমূল ঘনিষ্ট। পশ্চিমবঙ্গের সমাজের অধিকাংশই এই নিয়ে কোনো বক্তব্য রাখছেন না! তাই তাঁরা ছাত্র সংগঠন হিসাবে মুখ খুলছে।

এবিভিপি'র দক্ষিণবঙ্গ প্রান্ত রাজ্য সম্পাদক সঙ্গীত ভট্টাচার্য বলেন, "পাশের বাড়িতে আগুন লাগলে তাদের কি! এই মনোভাব নিয়ে এখনও অনেকেই চলছেন। অবশ্য যেভাবে দিন দিন আগুন বাড়ছে সেখানে তাদের বাড়িতেও যে শীঘ্রই আগুন লাগতে পারে সেটা তারা ভুলে গিয়েছেন। আমরা দেখে আসছি দীর্ঘাদন ধরেই এই রাজ্যে কোন ঘটনা ঘটলে পুলিশ দোষীদের খোঁজার থেকে বেশি তৎপর ঘটনা লুকানোর পিছনে।"
তাঁর দাবি, "বাগুইহাটির নিহত দুই ছাত্র অতনু দে এবং অভিষেক নস্করের ঘটনার ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয় নি। এইক্ষেত্রেও পুলিশ প্রথমেই দুই পরিবারকে অপহরণের খবর মিডিয়াকে না জানানোর জন্য চাপ দিতে থাকে। পরিবার সেই চাপের কাছে নতি স্বীকার করেও পর্যাপ্ত তদন্তযোগ্য তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করতে থাকে। কিন্ত তারপরও পুলিশ ১৭ দিনে কোনও কিছু করতে পারে নি। পরিবার অভিযুক্ত কিডনাপারদের নাগাল পর্যন্ত পৌঁছতে পারলেও পুলিশ তা পারে নি। ফলস্বরূপ ১৭ দিন পরবসিরহাট হাসপাতালের মর্গ থেকে দুই সন্তানের পচা মৃত দেহ পাওয়া গেল। আর এইভাবেই বর্তমানপশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা আরও একবার পশ্চিমবঙ্গবাসী দেখলো।"
সঙ্গীত ভট্টাচার্য বলেছেন, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ বাগুইহাটির দুই ছাত্রের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। প্রশাসনিক ব্যর্তার কারণে যেভাবে আজ দুই মা সন্তানহারা হয়েছেন তার জন্য পুলিশ মন্ত্রী তথাপি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়াকে পদত্যাগ করতে হবে। এছাড়াও সিবিআই তদন্তের মধ্য দিয়ে খুনে অভিযুক্তদের দ্রুত কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি ও এর পাশাপাশি পুলিশি নিগ্রিয়তায় জড়িত সকল পুলিশ অফিসারদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
১৯৪৮ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ নেতা বলরাজ মাধেক প্রথম এই সংগঠনটি তৈরি করেন এবং ১৯৪৯ সালে ৯ই জুলাই প্রথম আইনত নথিভুক্ত করা হয়। এই ছাত্র সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল তৎকালীন ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে ক্রমবর্ধমান কমিউনিস্ট প্রভাব রোধ করা। ১৯৫৮ সালে যশবন্ত রাও কেল্লার এই সংগঠনটির প্রধান প্রচারকের ভুমিকা গ্রহণ করেন। এবিভিপির ওয়েবসাইটে যশবন্ত রাওকেই সংগঠনের 'প্রধান স্থপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications