অভিষেকের হুঁশিয়ারি কাজে এল না, ভোটের সকাল থেকেই সংঘর্ষ, ছাপ্পা, বুথ দখলের অভিযোগ
অভিষেকের হুঁশিয়ারি কাজে এল না, ভোটের সকাল থেকেই সংঘর্ষ, ছাপ্পা, বুথ দখলের অভিযোগ
কথা ছিল, নির্বিঘ্নে ভোট হবে। একুশের বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে নাস্তানাবুদ করার পর আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটছিল তৃণমূল। দলের ভাবমূর্তি মেরামত করতে দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, পুরভোটে ছাপ্পা কিংবা ভোটদানে বাধা মেনে নেওয়া হবে না। তেমনটা হলে দল থেকে বহিস্কার করা হবে। কিন্তু কে শোনে কার কথা! ভোটের দিন সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক বুথ থেকে ভেসে এল হিংসা, অশান্তির অভিযোগ।

শুরুতেই ১১০ নং ওয়ার্ডে অভিযোগ!
সকালে ভোটদান শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিযোগ আসে ১১০ নং ওয়ার্ড থেকে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাম প্রার্থী তনুশ্রী মন্ডলের এজেন্টকে বসতে দিচ্ছিল না তারা। ৭ নং ওয়ার্ডে আবার বুথে ঢুকতে বাধা পেলেন নির্দল প্রার্থী। বিজেপি প্রার্থীর উদ্যোগে শেষ অবধি বুথে ঢুকলেন তিনি। ওই ৭ নং ওয়ার্ডের ১ নং বুথেই অবৈধ জমায়েতের অভিযোগও উঠেছিল।

মণীন্দ্র কলেজে ঝামেলা!
সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ উত্তপ্ত হয়ে উঠল শ্যামবাজারের মণীন্দ্র কলেজ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাম এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। সিপিএম প্রার্থী করুণা সেনগুপ্ত সেখানে উপস্থিত হলে শুরু হয় বচসা। ভুয়ো ভোটারেরও দেখা মিলল এদিন। ৪৫নং ওয়ার্ডে ভুয়ো ভোটার ধরল কংগ্রেস৷ ওই একই সময়ে আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল ১০২,১০৯,১১০ নং ওয়ার্ড। সকালে সিপিএম প্রার্থী তনুশ্রী মণ্ডলের এজেন্টকে বাধা দেওয়া হয়েছিল। ন'টা নাগাদ এই ওয়ার্ডের বেশ ক'টি বুথ থেকে বের করে দেওয়া হল বাম এজেন্টকে। যথারীতি এই ঘটনার পর দক্ষিণ ২৪ পরগণার জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানায় বামেরা।

বেলেঘাটায় বোমাবাজি!
বোমাবাজিও বাদ যায়নি, বেলেঘাটার ৩০ নং ওয়ার্ডে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল খোদ তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। একই অভিযোগ উঠল ৩৬ নং ওয়ার্ডেও। আতঙ্কে ছুটোছুটি করতে দেখা গেল সাধারণ মানুষকে। জোড়াবাগানে আবার বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতকে হেনস্থার অভিযোগ উঠল। শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মীনাদেবী পুরোহিতের শাড়ী, ব্লাউজ ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। পর্যবেক্ষক জানিয়েছেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে৷

CPIM প্রার্থীর পরিবারকে ভয় দেখানোর অভিযোগ!
তৃণমূলের বিরুদ্ধে সিপিআইএম প্রার্থীর পরিবারকেই ভয় দেখিয়ে ভোট দেওয়ানোর অভিযোগ উঠল ৬৭ নং ওয়ার্ডে। রেগে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়ালেন প্রার্থী। ৫০ নং ওয়ার্ডে অবৈধ জমায়েতের অভিযোগ। এবার বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের অফিস বন্ধ করল পুলিশ৷ মেটিয়াবুরুজের ১৩৭ নং ওয়ার্ডের ছ'টি বুথে আবার অভিযোগ উঠল দরজা বন্ধ করে ছাপ্পা ভোট দেওয়ার। যথারীতি প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুলিশ, নির্বাচন কমিশন। বিরিয়ানি, চিকেন চাপও বাদ গেল না। এবার অভিযোগের তির বিজেপি প্রার্থীর দিকে। ২৮ নং ওয়ার্ডে বিরিয়ানি খাইয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠল গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে।












Click it and Unblock the Notifications