ধরনা তুলে নিলেন অভিষেক, ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দিল্লিকে দিলেন সময়
রাজভবনের সামনে থেকে ধরনা কর্মসূচি প্রত্যাহার করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে তৃণমূল প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বৈঠক হয়েছে। এদিন সন্ধ্যায় রাজ্যপাল দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যপাল বকেয়া বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে খবর।
বাংলার সৌজন্য দেখানো উচিত। রাজ্যপাল তৃণমূলের দাবি মেনে দিল্লি গেলেন। সেজন্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সৌজন্যের রাজনীতির বার্তা দিয়েছেন। সেজন্যই তৃণমূল কংগ্রেস ধরনা কর্মসূচি থেকে সরে আসছে। তবে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে।

কেন্দ্র রাজ্যের দাবি না মানলে ফের কর্মসূচি ঘোষণা হবে। ১ নভেম্বর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কর্মসূচি নেবে। ধরনা মঞ্চ থেকে একথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলনেত্রীর সঙ্গে অভিষেকের কথা হয়েছে বৈঠকের পরে। নেত্রী সমস্ত কিছু শুনে বার্তা দিয়েছেন। এ কথা আন্দাজ করা যাচ্ছে।
২০ মিনিটের সাক্ষাৎ হয়েছে রাজভবনে। রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস অত্যন্ত মন দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা শুনেছেন। তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন তৃণমূল প্রতিনিধি দলকে। তারপরেই তিনি দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। বাংলার বঞ্চনা নিয়ে দু লক্ষ চিঠি রাজভবনের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিছু চিঠি রাজ্যপালের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
২০ মিনিটের বৈঠক নিয়ে আশাবাদী তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও যথেষ্ট আশাবাদী মনে হয়েছে বৈঠক শেষে বেরিয়ে। বাংলার ১০০ দিনের কাজের টাকা কেন বন্ধ রয়েছে? ২১ লক্ষ মানুষ কেন কাজ করে তাদের যোগ্য পারিশ্রমিক পাবেন না? এই প্রশ্ন প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে রাখা হয়েছিল। রাজ্যপাল গোটা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শুনেছেন।
এখন প্রশ্ন হল, কেন্দ্রীয় সরকার কি রাজ্যের দাবি মানবে? ১০০ দিনের কাজের টাকা ও আবাস যোজনার টাকা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার কি রাজ্যকে সমস্ত বকেয়া মিটিয়ে দেবে? নাকি ১০০ দিনের দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত আরও জোরালো হবে।
পাঁচ দিনের ধরনা কর্মসূচি রাজভবনের সামনে শেষ হল। যদিও এই কর্মসূচি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। রাজভবনের আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। সেখানে কীভাবে তৃণমূল কংগ্রেস এমন কর্মসূচি নিতে পারে? এই বিষয়ে রাজ্যপাল প্রশ্ন তুলেছিলেন। কলকাতা হাইকোর্টেও এই বিষয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications