৩৬ ঘণ্টা পরেও ট্রমায় অভিষেক, ফোলা কমলেই অস্ত্রোপচার চোখের নীচে
এখনও ট্রমায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার ৩৬ ঘন্টা পরেও তিনি দুর্ঘটনা-আতঙ্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি। তাঁর মুখের ফোলা কমলেই চোখের নীচের ভাঙা হাড় জুড়তে অস্ত্রোপচার করা হতে পারে।
কলকাতা, ২০ অক্টোবর : এখনও ট্রমায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার ৩৬ ঘন্টা পরেও তিনি দুর্ঘটনা-আতঙ্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি। তারই জেরে জ্বর আসছে বলে জানান চিকিৎসকরা। তবে বাঁ চোখের নীচে মুখের হাড়া ভাঙা ছাড়া বড়সড় কোনও আঘাত নেই বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁরা। ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার পরই তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মুখের ফোলা কমলেই মুখের ভাঙা হাড় জুড়তে অস্ত্রোপচার হতে পারে।
মঙ্গলবার দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনায় পড়ার পর বেলভিউ নার্সিংহোমে চিকিৎসা চলছে অভিষেকের। তাঁকে 'পোস্ট শক ট্রমা' থেকে বের করে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন চিকিৎসকরা। গতকালই তাঁকে বাইরের এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. অমিত রায় চেক-আপ করেন। বাঁ চোখের নীচে যে হাড়টি ভেঙেছে সে ব্যাপারেই পরামর্শ নেওয়া হয় ওই চিকিৎসকের।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার ভাইপো অভিষেককে দেখতে দু'বার আসেন বেলভিউয়ে। আসেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়-রাও। এদিকে ফরেনসিক দল এই ঘটনাকে নিছকই দুর্ঘটনা বলে প্রাথমিক মত প্রকাশ করলেও, সিআইডি এই ঘটনাকে নিছক দুর্ঘটনা বলে মানতে নারাজ। তাই হুগলি পুলিশকে দিয়ে খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করা হয়েছে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির নামে। পাইলট কার থেকে শুরু করে অভিষেকর গাড়ির চালক, সঙ্ঘর্ষ হওয়া গাড়ির চালক-খালাসি-মালিকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
যে চা দোকানে চা খেয়েছিলেন ওই চালক, তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, দুর্ঘটনা নাকি অন্তর্ঘাত, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সিআইডি তদন্তের নির্দেশও দেন তিনি। প্রয়োজনে খুনের চেষ্টার মামলা করা হতে পারে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ ছিল, দুর্ঘটনার সময় ঘুমিয়ে পড়েছিল অভিষেকের গাড়ির চালক। তার জেরেই দুর্ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গাড়ির চালককে কেউ কিছু খাইয়ে দিয়েছিল। সেই মোতাবেকই তদন্ত এগিয়ে চলেছে।












Click it and Unblock the Notifications