সারা দেশে SIR হোক, তবে...! বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক

সারা দেশে এসআইআর হোক, তবে তার আগে ভেঙে দেওয়া হোক লোকসভা, পদত্যাগ করুন প্রধানমন্ত্রী-সহ সকলেই। বিজেপি শুরু করুক। আমরাও পদত্যাগ করব। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা অবধি ফ্রেশ ভোট হোক, কারও তো আপত্তি নেই। আজ সকালে দমদম বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে এ কথাই বললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক বলেন, আমরা যখন এর আগে দিল্লিতে একশো দিনের কাজের টাকা আদায়ের দাবিতে গিয়েছিলাম তখনও নিগ্রহ করেছিল দিল্লি পুলিশ। গতকাল চার-পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর জানতে বিরোধী দলগুলির তিনশোর বেশি সাংসদ নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছিলেন মিছিল করে। কিন্তু পুলিশ অতি সক্রিয় হয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উপর নিগ্রহ করেছে, বর্বরতা চলেছে। লাঠি চালিয়েছে, মহিলা সাংসদদের চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে নিয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দফতর অবধি যেতে দেয়নি। থানায় নিয়ে চলে গিয়েছে। আমাদের সাংসদ মিতালি বাগ হেনস্থার শিকার হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এর থেকে পরিষ্কার আমাদের প্রশ্নের কোনও উত্তর নির্বাচন কমিশনের কাছে নেই। থাকলে তারা সাংসদদের সঙ্গে কথা বলতো। আর বিজেপির কীসের দায় নির্বাচন কমিশনকে ডিফেন্ড করার?

SIR

অভিষেকের কথায়, যদি তর্কের খাতিরে ধরে নিই যে এই ইলেক্টোরাল রোল বা ভোটার তালিকায় কারচুপি বা গরমিল আছে, বাংলাদেশি-সহ ভুয়ো ভোটার সত্যিই আছে তাহলে এর ভিত্তিতেই তো গত বছর লোকসভা ভোট হয়েছে, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা ভোট হয়েছে, যার কিছু রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায়। বিজেপি জিতলে ঠিক, আর বাকি রাজ্যে অনিয়ম, গরমিল এটা তো মানা যায় না। এই ভোটার তালিকার ভিত্তিতে যে ভোট হয়েছে, দেশের সরকার তৈরি হয়েছে, ভোটার তালিকায় গরমিল থাকলে সেই সরকার ভেঙে দেওয়া হোক। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা পদত্যাগ করুন। আর যে রাজীব কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার থাকাকালীন যে ভোটগুলি হয়েছে লিস্টে কারচুপি থাকা সত্ত্বেও, তাঁর বিরুদ্ধে অবিলম্বে ফৌজদারি প্রক্রিয়া শুরু করুক নির্বাচন কমিশন।

অভিষেকের দাবি, নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকায় কারচুপির বিষয় প্রথম ধরেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক এপিক কার্ডের নম্বর, এক নামে বিভিন্ন রাজ্যে ভোটারের থাকার কথা তিনিই তুলে ধরেন। কংগ্রেস দেখিয়েছে এক এপিক কার্ডের নম্বর নিয়ে একজন একদিনেই বারাণসী, কর্ণাটক, গুজরাতে ভোট দিয়েছেন! এক ঠিকানায় পাঁচ ফুট বাই দশ ফুট ঘরে একশো ভোটারের সন্ধান মিলেছে! এই আবহে যেখানে বিজেপি সরকার আছে সেখানে নয়, যে রাজ্যগুলিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ক্ষমতায় সেখানেই বেছে বেছে এসআইআর চালুর চেষ্টা আমরা মানব না।

ডায়মন্ড হারবার থেকে রেকর্ড ভোটে জয়ী সাংসদ অভিষেক বলেন, কেন ডিজিটাইজ ভোটার লিস্ট দেওয়া হচ্ছে না? বিজেপি বুঝে গিয়েছে স্বচ্ছতা বজায় রেখে ভোট হলে ওদের জামানত জব্দ হবে‌। সমস্ত এজেন্সিকে নিজেদের তল্পিবাহক বানিয়ে গোটা দেশকে নিজেদের রাজনৈতিক সম্পদ ভাবছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশন তো স্বতন্ত্র। সেই কমিশনকে দিয়ে এবার কারচুপির চেষ্টা চলছে। আগেও বলেছি আবার বলছি, একজন প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ গেলে এক লক্ষ লোক নিয়ে গিয়ে কমিশন ঘেরাও করব। বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে এসআইআর না হলে বাংলাতেও আমরা তা চালু করতে দেব না। গতকাল তো শুধু গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধীরা একজোট হয়ে আন্দোলন শুরু করেছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+