আরজি করের ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে কী বললেন তিনি
শেষ পর্যন্ত আরজি করের ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এর আগে তিনি ১৪ অগাস্ট রাতে আরজি করে হামলা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। কলকাতার পুলিশর কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছিলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কী বলেছেন অভিষেক
এদিন সকালে পোস্ট করা এক বার্তায় তৃণমূলের নাম্বার টু বলেছেন, গত ১০ দিনে, যখন সারা দেশ আরজি করের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে এবং ন্যায়বিচারের দাবি করছে, সেই সময় ভারতের বিভিন্ন অংশে ন'শোর মতো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঠিক সেই সময়ে লোকেরা এই ভয়ঙ্কর অপরাধের বিরুদ্ধে রাস্তায় বিক্ষোভ করছেন। দুঃখজনকভাবে, একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাধান এখনও অনেকাংশে আলোচনার বাইরে রয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
অভিষেক বলেছেন, প্রতিদিন গড়ে ৯০টি ধর্ষণের ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছে। অর্থাৎয় প্রতি ঘণ্টায় ৪টি এবং প্রতি ১৫ মিনিটে ১টি - একটি নিষ্পত্তিমূলক পদক্ষেপের জন্য ব্যবস্থাগ্রহণ জরুরি।
Over the past 10 days, while the nation has been protesting against the #RGKarMedicalcollege incident and demanding justice, 900 RAPES have occurred across different parts of India - DURING THE VERY TIME WHEN PEOPLE WERE ON THE STREETS PROTESTING AGAINST THIS HORRIBLE CRIME.…
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) August 22, 2024
শক্তিশালী আইন দরকার
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, আমাদের এমন শক্তিশালী আইন দরকার যা ৫০ দিনের মধ্যে বিচার এবং দোষী সাব্যস্ত করার আদেশ দিতে পারে। শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি নয়, কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে। রাজ্য সরকারগুলিকে অবশ্যই কাজ করতে হবে এবং অবিলম্বে একটি ব্যাপক ধর্ষণ বিরোধী আইনের জন্ কেন্দ্রীয় সরকারকে চাপ দিতে হবে, যাতে দ্রুত এবং কঠোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়৷
আরজি কর নিয়ে দ্বিতীয়বার মুখ খুললেন
তবে শুধু এদিনই নয়, এক সপ্তাহ আগে গত ১৫ অগাস্ট একইভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন তিনি। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে ফোন করে তিনি দাবি করেছিলেন আরজি করের হামলার ঘটনায় যুক্তদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে খুঁজে বের করতে হবে, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন। সেখানেই তিনি আরও বলেছিলেন, আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের দাবি ন্যায্য। রাজ্য সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাওয়া তাঁদের ন্যূনতম দাবি। বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications