Abhishek Banerjee: অভিষেকই দেখা করতে আসেননি, কালীঘাটে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ পঞ্চায়েত প্রতিমন্ত্রীর
মিথ্যে বলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে তাঁর জন্য ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিলেন। কালীঘাটে পুজো দিয়ে বেরিয়ে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী জ্যোতি। সকাল ৬টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত নাকি তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের প্রতিনিধিদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি।
এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন দিল্লিতে ১০০ দিনের কাজের টাকা আদায়ে তাঁরা অপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে কোনও মন্ত্রী দেখা করেননি। সময় দিয়েও পঞ্চায়েত দফতরের কোনও মন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে দেখা করেননি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই অভিযোগ যে একেবারেই মিথ্যে তা দাবি করেছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ১০০ দিনের কাজের টাকা আদায়ে দিল্লিতে ধরনা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে যাঁরা ১০০ দিনের কাজের টাকা পাচ্ছেন না তাঁদের নিয়ে দিল্লিতে যন্তরমন্তরে ধর্না কর্মসূচি করেছিলেন তাঁরা। দিল্লি পুলিশ তাঁদের জোর করে সেখান থেকে তুলে দেয়।
তারপরে তৃণমূলের প্রতিিনধি দলকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চায়েত দফতরে দেখা করতে গিয়েছিলে তিনি। সেখান সন্ধে ৬টা থেকে রাত পর্যন্ত বসে থেকেও কোনও নেতা মন্ত্রী দেখা করেননি বলে অভিযোগ করেছিলেন। সেখান থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করা হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের। সেখান থেকে বেরিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনের সুর চড়িয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন মোদী সরকার ভয় পেয়েছে সেকারণে তাঁদের সঙ্গে দেখা না করেই চলে গিয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রকের মন্ত্রী।
কিন্তু অভিষেকের সেই দািব যে একেবারেই মিথ্যে ছিল সেটা কলকাতায় এসে ফাঁস করে দিলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী জ্যোতি। তিনি কালীঘাটে পুজো দিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেই সাংবাদিক বৈঠকে পাল্টা অভিষের বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন যে তিনি মিথ্যে বলেছেন সেদিন সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করেছিলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রকে। কিন্তু তাঁরা কেউ দেখা করতে আসেননি। সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির এই দাবির পরে যে শাসক দলের অন্দরে চাপ বাড়বে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
গত কয়েকদিন ধরে রাজনৈতিক মঞ্চে দেখা যাচ্ছে না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নবীন প্রবীণের দ্বন্দ্ব চরম আকার নিয়েছে। দলের নেতৃত্বে মমতা না অভিষেক কে থাকবেন এই নিয়ে শোরগোল পড়ে দিয়েছে শাসক দলের অন্দরে। প্রকাশ্যে নবীন প্রবীণ তরজায় মেতেছেন দলেরই রাজনৈতিক নেতারা। সুব্রত বক্সির সামনেই দলের প্রবীণ নেতাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল ঘোষ। এমনকী চক্রান্ত করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রামে হারানো হয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। এমনকী এই কাজে দলেরই এক শ্রেণির নেতা জড়িত রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications