কথা রাখলেন অভিষেক, জব কার্ড হোল্ডারদের পাওনা পাঠানো হচ্ছে, সঙ্গে চিঠি
তাহলে কি কথা রাখলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? বাড়িতে পৌঁছে গেল টাকা। সঙ্গে গেল চিঠি। নভেম্বর মাস শেষ হয়নি এখনও। তার আগেই জবকার্ড হোল্ডারদের কাছে আর্থিক সাহায্য পৌঁছালো। কিন্তু কীসের জন্য এই টাকা পাঠালেন অভিষেক?
একশো দিনের কাজের প্রাপ্য টাকা পায় রাজ্য। কেন্দ্র সেই টাকা দিচ্ছে না। সেই দাবিতেই আন্দোলনের পথে নেমেছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজভবনের সামনে ধরনা মঞ্চ থেকে তিনি নিজে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

সেইসময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কেন্দ্র টাকা আটকে রাখলে নিজেরাই টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। আড়াই হাজার লোকের ২ বছরের পারিশ্রমিকের টাকা রাজ্য সরকারকে দেওয়ার অনুরোধও জানানো হয়৷ রাজ্য সরকার সেই টাকা না দিতে পারলে, তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা সেই কাজ করবেন।
তৃণমূলের সাংসদ ও বিধায়করা একমাসের বেতনের টাকা নিজেরা নেবেন না। সেইসব বেতন একজোট করে জব কার্ড হোল্ডারদের পাওয়া মেটানো হবে৷ এই কথা বলেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দুই মাসের মধ্যে এই টাকা পাওয়া যাবে।
সেই কথা রাখলেন তিনি। নভেম্বর মাস শেষ হওয়ার আগেই টাকা পৌঁছে গেল। যার যেমন টাকা পাওনা আছে, সেই টাকা দেওয়া হচ্ছে। শনিবার থেকে এই টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। শুধু টাকাই নয়, প্রত্যেকের জন্য একটা করে চিঠিও থাকছে। সেই চিঠিতে প্রতিশ্রুতি মতো টাকা পাঠানোর কথা লেখা আছে।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এই লড়াই চলছে৷ সেই লড়াই আগামী দিনেও চলবে। তারাই এই লড়াইতে জিতবেন। এই কথাও লেখা হয়েছে ওই চিঠিতে। প্রত্যেকের নাম আলাদা করে পাঠানো হয়েছে। বকেয়া টাকা পেয়ে উৎফুল্ল জবকার্ড হোল্ডাররা।
কিন্তু প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। সরকারি টাকা ব্যক্তিগতভাবে কেউ কি দিতে পারেন? রাজ্যে আরো অনেক টাকা পাবেন ন্যায্য প্রাপ্যরা। ডিএ বকেয়া রয়েছে। সেই টাকা মেটানো হোক। শুধু তাই নয়, নিয়োগ দুর্নীতি সহ অন্যান্য দুর্নীতির টাকাও ফেরত দেওয়া হোক। এই দাবি উঠেছে।












Click it and Unblock the Notifications