‘মরতে পারি, বদনামি মানব না’! অমিতের ‘ভাতিজা’ কটাক্ষের কড়া জবাব অভিষেকের
কালিদাস নেই, এখন এক-একটা বড় বড় হরিদাস জন্ম নিয়েছে। মুখে হরি হরি করছে, আর মানুষ খুন করছে। বিজেপির বিভাজন ও খুনের রাজনীতিকে এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
গত ১১ আগস্ট কলকাতায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশের সভামঞ্চ থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন। চড়া সুরে আক্রমণ শানিয়েছিলেন 'ভাতিজা' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এবার ছাত্র-যুব সমাবেশ থেকে তার কড়া জবাব দিলেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি। তিনি চড়া সুরে বললেন, মৃত্যুবরণ করতে পারি, বদনামি মানব না।

মঙ্গলবার গান্ধী মূর্তির পাদদেশেই তৃণমূলের ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই ছাত্র সমাবেশ থেকে বিজেপির সভাকে তিনি সার্কাস বলে কটাক্ষ করেন। তাঁর অভিমত, অমিত শাহ গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সভা করে কলুষিত করে দিয়ে গিয়েছেন। তাই গঙ্গাজল ছড়িয়ে আর গায়ত্রী মন্ত্র জপ করে শুদ্ধ করতে হয়েছে পবিত্র কলকাতার এই গান্ধীমূর্তির পাদদেশকে।
অভিষেক এদিন ভাতিজা-কটাক্ষের জবাবে বলেন, মৃত্যুবরণ করতে পারি। কিন্তু বদনামি সহ্য করব না। আমরা সত্যের পথে, ন্যায়ের পথে রাজনীতি করি। তাই মরতে ভয় পাই না, কিন্তু ভয় পাই বদনামকে। অযথা বদনাম আমরা মানব না। তিনি এদিন অমিত শাহকে ভাড়াটিয়া নেতা বলে পাল্টা কটাক্ষ করেন।
তিনি বলেন, বিজেপির কোনও নেতা নেই বাংলায়। তাই দিল্লি থেকে নেতাকে ভাড়া করে আনতে হচ্ছে। রাঁচি থেকে প্যান্ডেলকর্মী ভাড়া করে আনতে হচ্ছে, আর ঝাড়গ্রাম-ওড়িশা থেকে লোক আনতে হচ্ছে। তারা আবার বাংলায় জেতার স্বপ্ন দেখছেন। ২২টি লোকসভা আসনে জিতবেন বলে টার্গেট করেছেন, আগে ২২টি বুথে জিতে দেখান, তারপর ২২টি লোকসভার কথা কল্পনায় আনবেন।
এদিন অভিষেক বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের সঙ্গে আছে, মানুষের জন্য কাজ করছে, আমাদের সঙ্গে মানুষ আছেন। তাই, আমরা ভোটে জয়ী হয়েছি, আর কোর্টেও জয়ী হয়েছি। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চায়েত মামলা তৃণমূলের পক্ষে যাওয়ার পর বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেছিলেন, তৃণমূল কোর্টে জিতছে, আমরা মানুষের ভোটে জিতব। সেই প্রসঙ্গেই অভিষেকের পাল্টা, আমরা ভোটেও জিতি, আর কোর্টেও জিতি। মানুষের আশীর্বাদ রয়েছে আমাদের সঙ্গে, তাই বিজেপির মতো অপশক্তি আমাদের কিছু করতে পারবে না।












Click it and Unblock the Notifications