প্রায় ১০ ঘন্টা জেরার পরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে সেটিং তত্ত্ব! নিশানায় বারে বারেই শুভেন্দু অধিকারী
প্রায় ১০ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পরে নিজাম প্যালেসের বাইরে দীর্ঘ সাংবাদিক সম্মেলন। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে ছিল সেটিং তত্ত্বের কথা। এছাড়াও তিনি বারে বারেই শুভেন্দু অধিকারীর নাম নিয়েছেন। একাধিকবার নাম নিয়েছেন অধীর চৌধুরী ও সুজন চক্রবর্তী। কিন্তু একই কারণে বিমান বসুর নাম তিনি করেননি।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যত কেস আছে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে, যেখানে প্রমাণ আছে, সেখানে প্রমাণ রেকর্ড করে ডাকা, মানুষের কথা শুনে কতটা সিবিআই ডাকবে সেটা প্রশ্নের মুখে পড়বে। সেখানেই তো সিবিআইয়ের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন।

তিনি বলেন, এই এজেন্সি কীভাবে চলে দেখা গেছে। কংগ্রেস আমলে দেখা গেছে এদের ব্যবহার করতে। এখন তাদের কয়েক গুন বেশি ব্যাবহার করছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ইডি-সিবিআই ওয়াশিং পাউডার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যার বলেন, অধীর, সুজন, শুভেন্দুর নাম করেছিলেন সুদীপ্ত সেন। ২ বছর হয়ে গেছে। কাউকে ডাকেনি।
শুভেন্দু অধিকারীকে ঘুষ খোর বলে আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর দুটো অ্যাজেন্ডা। সিবিআই ইডি থেকে নিজেকে বাঁচানো। সেটা করে ফেলেছে। আর দ্বিতীয়টা হল তাঁকে টার্গেট। কারণ গদ্দারকে ধরে ফেলেছেন। অভিষেক বলেন, তাঁকে ও দমাতে পারবে না।
তিনি বলেন, কাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, সেটা খুঁজে বের করলেই, সিবিআই-এর সত্যতা উন্মোচন করা হয়ে যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তারা কাউকে দলে নিলে দেখেন কোথাও দুর্নীতিতে নাম জড়িয়ে রয়েছে কিনা। কিন্তু বিজেপি ঠিক তার উল্টোটা করে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানানোর কথাও জানিয়েছেন। বলেছেন, নিয়ম অনুযায়ী বিচারাধীন হয়ে গেলে আসতে হয় না। তারপরেও তিনি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এসেছেন। তিনি বলেন, আবার ডাকা হলেও তিনি আসবেন। তবে নব জোয়ার কর্মসূচি ভেঙেই তাঁকে আসতে হয়েছে বলে বারে বারে অনুযোগ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২০১৪ সাল থেকেই তিনি প্রাইম টার্গেট। তিনি বলেন, কুন্তল ঘোষকে তো টাকা নিতে দেখেননি। তদন্তে উঠে এসেছে। অমিত শাহ তো যাকে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে, তাকে দলে নিয়েছেন। নব জোয়ার কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ যাকে আপন করে নিয়েছে, তাকে কেউ রুখতে পারবে না।
দুহাজার টাকার নোট বাতিল প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সেই ২০১৬ থেকে চলছে। আবার শুরু হয়েছে। এখন ভোটবন্দির সময় এসে গেছে। আর নোট বন্দী করতে হবে না। ২০২৪ এ ভোটবন্দি হবে। তিনি বলেন, কর্ণাটকের ফলই ফলবে ২৪ - এ।












Click it and Unblock the Notifications