তৃণমূলে যোগ দিলেন নাকি আবদুল মান্নান! ‘সাচ্চা কংগ্রেসী’রও শেষপর্যন্ত এমন হাল
এখনও আবদুল মান্নানকে সাচ্চা কংগ্রেসী বলে দাবি করেন প্রদেশ কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। আর সেই কংগ্রেস বিধায়কের নামের পাশেই কিনা লেখা তৃণমূল বিধায়ক!
একে একে তাবড় তাবড় কংগ্রেসীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গেম প্ল্যানের কাছে নত হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। শম্পা দড়িপা থেকে শঙ্কর সিং, হাসানুজ্জামান থেকে মানস ভুঁইয়া- কংগ্রেসত্যাগী বিধায়কের সংখ্যাটা নেহাত কম নয়। তার মধ্যেও বিধানসভায় এখনও একা কুম্ভ হয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন চাঁপদানির কংগ্রেস বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। এখনও তাঁকে সাচ্চা কংগ্রেসী বলে দাবি করেন প্রদেশ কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। আর সেই কংগ্রেস বিধায়কের নামের পাশেই কিনা লেখা তৃণমূল বিধায়ক!

তা দেখে মাথায় হাত পড়ারই জোগাড় প্রদেশ কংগ্রেসের। তাও যেখানে সেখানে নয়, বিধানসভা থেকে প্রকাশিত পুস্তিকাতেই অবদুল মান্নানের নামের নীচে লেখা এআইটিসি-বিধায়ক অর্থাৎ অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশিত এই 'হুজ হু অফ অ্যাসেম্বলি' নামক পুস্তিকায় বিভ্রান্তি দেখে শুরু হয় গুঞ্জন।
এই বিভ্রান্তির সমাপ্তী ঘটে খানিক পরেই। এটা বিধানসভার সচিবালয়ের ভুলেই ঘটেছে বলে স্বীকার করে নেওয়া হয়। তবে এদিনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেল যে, তৃণমূল যোগ না দিয়েও তিনি ওই পুস্তিকার সৌজন্যে দলত্যাগী বিধায়কদের তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন। বনে গিয়েছিলেন শাসক দলের বিধায়ক।
আবদুল মান্নান এই প্রসঙ্গ জানিয়েছেন, তিনি এখনও বইটি দেখেননি। আর তার এই নতুন পরিচয় শুনে অবাক তিনি নিজেই। তাঁর কথায়, 'একজন বিরোধী দলনেতার নাম ছাপতে গিয়ে যদি এই কাণ্ড ঘটে, কবে স্পিকারের নামের পাশে সিপিএম পার্টির বিধায়ক দেখিয়ে দেবে। এই তো রাজ্যের সরকারের অবস্থা।'












Click it and Unblock the Notifications