মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর পরিবারের সম্পত্তির পরিমাণ কত? তথ্য জানতে চেয়ে জনস্বার্থ মামলা
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়দের সম্পদের তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বিজেপি'র ঘনিষ্ঠ এক আইনজীবী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের সম্পত্তি কত তা নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্তের আবেদন করা হয়েছে ওই জনস্বার্থ মামলায়।

কে করেছে এই মামলা ?
এই জনস্বার্থ মামলা (পিআইএল) দায়ের করেছেন অ্যাডভোকেট তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। পিআইএলে বলা হয়েছে যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়দের সম্পদ ব্যাপক পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে ২০১১ সালের পর যখন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসেন।

কী অভিযোগ?
এতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী কাজরী ব্যানার্জি ৭৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কেএমসি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং তার হলফনামায় তিনি বলেছিলেন যে তিনি একজন সমাজকর্মী কিন্তু তিনি তার সম্পত্তির বিবরণ প্রকাশ করেননি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পদের তদন্ত
তরুণজ্যোতি তিওয়ারি তার পিআইএল-এর মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পদের তদন্তের জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) এবং আয়কর বিভাগকে আবেদন করেছেন।

অনুব্রত কাণ্ড
সম্প্রতি টিএমসি'র দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মন্ডলকে ২০২০ সালের গবাদি পশু চোরাচালানের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় এবং সিবিআই হেফাজতে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল এবং শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অর্থ পাচারের অভিযোগের তদন্তের জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দ্বারা প্রবীণ নেতা পার্থ চ্যাটার্জিকে গ্রেপ্তার করার কয়েকদিন পরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
সিবিআইয়ের তরফে একটি মুখবন্ধ খাম আদালতে জমা দেয় সিবিআই। সূত্রে খবর, গত কয়েকদিনের তদন্তে একাধিক নাম পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সেই নামগুলিই আদালতের কাছে জমা দেন তদন্তকারীরা। শুধু তাই নয়, বেনামি সম্পত্তি রয়েছে তাদের নামে। এমন তথ্যও ওই খামে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি এদিন আদালতে বিস্ফোরক দাবি করেন সিবিআই আইনজীবী। বলেন, এটা কোনও একার ব্যবসা নয়। একটা চক্র। শুধু তাই নয়, মধ্যস্থকারী হিসাব তাঁর দেহরক্ষী কাজ করেছেন বলেও দাবি সিবিআইয়ের। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত চারদিনের হেফাজতের নির্দেশ শোনায়।
গত শনিবার অসুস্থতার কথা বলে অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের আবেদন করা হয়। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এবং আরও চার দিনের সিবিআই হেফাজতে অনুব্রত মণ্ডলকে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। আর এই নির্দেশের পরেই গত সপ্তাহে শনিবারই ফের বীরভূমের বেতাজ বাদশাকে কলকাতায় সিবিআই নিয়ে আসা হয় বলে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। হাতে সময় কম। তাই ওই রাতেই অনুব্রতকে জেরা করে সিবিআই। বেশ কিছু নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জেরা করা হয় বলে জানা যায়।












Click it and Unblock the Notifications