রোমা ঝাওয়ার অপহরণ-কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত গুঞ্জন ঘোষ-সহ ৪, ৩০২ সহ একাধিক ধারায় মামলা
রোমা ঝাওয়ার অপহরণের টাকার বকরা নিয়ে সঙ্গী অরবিন্দ প্রসাদকে খুনের দায়ে গুঞ্জন ঘোষকে অপরাধী সাব্যস্ত করল আলিপুর আদালত। ১২ নম্বর এডিজে মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন গুঞ্জন সহ চারজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ধারা এবং
রোমা ঝাওয়ার অপহরণের টাকার বকরা নিয়ে সঙ্গী অরবিন্দ প্রসাদকে খুনের দায়ে গুঞ্জন ঘোষকে অপরাধী সাব্যস্ত করল আলিপুর আদালত। ১২ নম্বর এডিজে মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন গুঞ্জন সহ চারজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ধারা এবং বেআইনি অস্ত্র আইনে অপরাধী সাব্যস্ত করেছেন।

দীনেশ যাদব, মুকেশ সিং ও মুন্না সিং এই ঘটনায় অন্য তিন সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী। আগামী সোমবার আদালত তাদের সাজা ঘোষণা করবে। ২০০৪ সালে মুক্তিপণ আদায়ের নামে সল্টলেক থেকে ব্যবসায়ী কন্যা রোমা ঝাওয়ারকে অপহরণ করা হয়। পরে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হলে ওই তরুণীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগ, সেই টাকারই ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে পরবর্তী সময় খুন হয়ে যায় অরবিন্দ প্রসাদ নামে এক যুবক। তাঁকে গুলি করে খুন করে মৃতদেহ ফেলে দেওয়া হয় পূর্বতন পরমা থানার অধীনে বাইপাস সংলগ্ন সায়েন্স সিটির কাছে। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত হয় গুঞ্জন ঘোষ সহ আরও তিনজনের নাম।
সরকারি আইনজীবী জানান, অরবিন্দ প্রসাদ ছিল গুঞ্জনেরই শাগরেদ। এদিকে, ২০০৫ সালে অরবিন্দ খুন হওয়ার পর পুলিস তদন্ত শেষ করে এই মামলায় আলিপুর কোর্টে চার্জশিট পেশ করে। সেখানে অভিযুক্ত গুঞ্জন সহ চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলাটি বিচারের জন্য যায় আলিপুরের দ্বাদশ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা কোর্টে। সেখানেই বর্তমানে বিচারক শেখ কামাল হোসেনের এজলাসে চলছে এই মামলার শুনানি। সরকারি আইনজীবী জানান, এই মামলায় ছিলেন মোট ২৮ জন সাক্ষী। সর্বশেষ সাক্ষী ছিলেন ওই তদন্তকারী অফিসার।
সরকারি আইনজীবীকে প্রশ্ন করা হয়, এত বছর বাদেও কেন এই মামলার নিষ্পত্তি হল না? উত্তরে তিনি জানান, বেশ কয়েকজন বিচারক অন্যত্র বদলি হয়ে যাওয়া সহ নানা কারণেই এই মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications