হাড়হিম করা তথ্য, আরজি কর কাণ্ডে তরুণীর শরীরে মিলেছে ১৫০ মিলিগ্রাম বীর্য?
তরুণী জুনিয়র চিকিৎসকের উপর অকথ্য শারীরিক নির্যাতন হয়েছে? ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে? এই সব প্রশ্ন গত কয়েক দিন ধরেই উঠে আসছিল। এবার সেই বিষয়ই উঠে এল কলকাতা হাইকোর্টে শুনানির সময়ে।
তরুণীর শরীরে বীর্যর উপস্থিতি ময়নাতদন্তে পাওয়া গিয়েছে। এই কথা জানা গিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে মৃতার বাবা - মাও বিচারের আশায় আর্জি জানিয়েছেন। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই মুহূর্তে সিবিআই মামলার তদন্ত করছে৷

মৃতার বাবা- মা আবেদনে বলেছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যৌন নির্যাতনের স্পষ্ট লক্ষণ রয়েছে। গলায় শ্বাসরোধ করার দাগও রয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে অত্যাচারের দিকটি স্পষ্ট রয়েছে। শরীরের আঘাত নৃশংসতাকে ইঙ্গিত করছে।
নিহতের মাথার বেশ কয়েকটি অংশে আঘাতের চিহ্ন দেখা গিয়েছে। পিটিশনে যোগ করা হয়েছে, দুটি কানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গিয়েছে। নির্যাতিতার ঠোঁটেও আঘাত রয়েছে।আক্রমণের সময় তাকে চুপ করানোর জন্য হয়তো চেপে ধরা হয়। তার ঘাড়ে কামড়ের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আদালতের সামনে আনা হয়েছে। মৃতার শরীরে ১৫০ মিলিগ্রাম বীর্য পাওয়া গিয়েছে৷ এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এই বিষয়টি একাধিক অভিযুক্তের উপস্থিতি ও শারীরিক নির্যাতনের দিককে ইঙ্গিত করছে। গণধর্ষণের অভিযোগকে আরও উসকে দিচ্ছে বলেও দাবি।
রেকর্ডে প্রমাণ রয়েছে অন্তত তিনজন ব্যক্তি মেয়ের নির্মম পরিনতির সময় ছিল। অধিক পরিমাণ বীর্য একাধিক ব্যক্তির জড়িত থাকাকে দাবি করে। আদালতে মৃতার বাবা-মা জানিয়েছেন।।
ঘটনায় সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক পুলিশকে গ্রেফতার করা হয়েছিল৷ ওই ব্যক্তি এখন সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআইয়ের আতিথেয়তায় রয়েছে। আরজি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও আদালতে একাধিক সওয়াল উঠেছে।
কেন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হয়নি? কেন তাকে পুলিশ একটিবারও জিজ্ঞাসাবাদ করেনি? কেন পদত্যাগ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে অন্য হাসপাতালে অধ্যক্ষ করে পাঠানো হয়? সেই সব প্রশ্নও উঠেছে হাইকোর্টে।
রাজ্য সরকারের কৌঁসুলি গত কাল হাইকোর্টে বলেছেন, বিচার বিভাগীয়র উপস্থিতিতে তদন্ত করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট ও দুই লেডি ডাক্তার উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত রিপোর্টে মৃতার মায়ের সাক্ষর রয়েছে। রাজ্যের পুলিশ - প্রশাসন মৃতার পরিবারকে ময়না তদন্তের রিপোর্ট দেখিয়েছে।
যদিও রাজ্যের কথা তেমন আর গুরুত্ব দেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম।












Click it and Unblock the Notifications