আরজি কর কাণ্ডের ১০০ দিন, সঠিক বিচার হবেই, আশায় অভয়ার মা
কী হয়েছিল মেয়ের সঙ্গে? কী করেছিল মেয়ে? কেন এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটল মেয়ের সঙ্গে? আরও একবার এইসব প্রশ্ন তুললেন আরজি কর হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের মা।
চোখের জল বাঁধ মানছে না। ৮ আগস্ট রাতে নারকীয় ঘটনা ঘটেছিল আরজি কর হাসপাতালে। পরদিন সোদপুরের পানিহাটিতে ফোন গিয়েছিল হাসপাতাল থেকে। প্রৌঢ় বাবা - মায়ের কাছে একসময় আসে মেয়ের মৃত্যু সংবাদ। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল বাবা - মায়ের।

তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গিয়েছে। আন্দোলনে স্তব্ধ হয়েছে রাজপথ। দেশ তথা বিশ্ব দেখেছে আরজি কর কাণ্ডের রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ, রাত দখল আন্দোলন। কিন্তু বিচার? বিচার কবে পাওয়া যাবে? তদন্তের গতিপ্রকৃতিই বা কী? সেই প্রশ্ন উঠেছে৷ নির্যাতিতার মা আরও একবার একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন।
আজ রবিবার আরজি কর কাণ্ডের ১০০ দিন। বিচার আর কবে হবে? কারা করেছিল ওই জঘন্য অপরাধ? বিচার পেতে আরও কত অপেক্ষা করতে হবে? সেই প্রশ্ন আবারও তুলেছেন নির্যাতিতার মা। রোজই বাবা - মা মেয়ের জন্য চোখের জল ফেলেন। এদিন চোখের জল বাঁধ মানছে না মায়ের।
সোদপুরের বাড়ি থেকে সাইকেল রযালির ডাক দেওয়া হয়েছে। দ্রোহের মশাল নিয়ে যাওয়া হবে শ্যামবাজারে। আরও একবার প্রতিবাদের ঝড় উঠুক রাজপথে। এই কথা জানা গিয়েছে। ১০০ টি সাইকেল সোদপুর থেকে আসবে শ্যামবাজারে। আরজি কর হাসপাতালের ভিতরেও মিছিলের আয়োজন করা হয়।
জুনিয়র চিকিৎসকরাও শ্যামবাজার মোড়ের মাথায় উপস্থিত হবেন। সন্ধে সাড়ে ছটায় বিচারের দাবিতে ১০০ সেকেন্ড নীরবতা পালন করা হবে৷ সন্ধে সাড়ে সাতটায় শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে জমায়েত কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। রাত নটায় সমাবেশ হবে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের।
বিচার পাওয়া যাবেই৷ গোটা দেশ, বিশ্ব এই ঘটনার প্রতিবাদ করেছে। প্রতিবাদ উঠেছে বিভিন্ন মহলে। বিচার তাঁরা ছিনিয়ে আনবেন। সেই কথা বলছেন অভয়ার মা। রবিবার আরজি কর হাসপাতালেও কর্মসূচির আয়োজন করেছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।
ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের তরফ থেকে অভয়ার প্রতীকী মূর্তির সামনে মোমবাতি জ্বালানো হয়। জরুরি বিভাগের সামনে চলে মোমবাতি মিছিল।












Click it and Unblock the Notifications