কাতার বিশ্বকাপে হাজির জাকির নায়েক, সারা টুর্নামেন্টে জুড়ে রাখবেন ধর্মীয় বক্তব্য
কাতার বিশ্বকাপে ধর্মীয় বার্তা ছড়িয়ে দিতে পৌঁছে গিয়েছেন জাকির নায়েককে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ভারতে তিনি বিতর্কিত ইসলাম ধর্ম প্রচারক। ভারতে তাঁকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষনা করে দেওয়া হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপে ধর্মীয় উপদেশ দেওয়ার জন্য তাঁকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার উপর। সে নির্বাসনে রয়েছে ২০১৭ মালয়েশিয়াতে রয়েছে।

কী খবর মিলছে?
এই প্রসঙ্গে কাতারের এক চ্যানেলের সম্প্রচারক বলেছেন যে, "ধর্মপ্রচারক শেখ জাকির নায়েক এসেছেন কাতার বিশ্বকাপে এবং সেখানে তিনি অনেক ধর্মীয় বক্তব্য রাখবেন।" সারা টুর্নামেন্ট জুড়েই তিনি নানা ধর্মীয় বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।
ওই দেশের সূত্রে জানা গিয়েছে যে জাকির খানকে আমন্ত্রিত হিসাবে তাঁকে সেখানে ডাকা হয়েছে। টুইট করা হয়েছে যে, "ইসলাম নিয়ে প্রচুর জ্ঞানের অধিকারী ডঃ জাকির নায়েক ফিফা আয়োজিত কাতারের ফুটবল বিশ্বকাপে এসে হাজির হয়েছেন।"
ভারত জাকির নায়েকের সংস্থা ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে বে-আইনি বলে ঘোষনা করেছে। সেটা ২০১৬ সালের ঘটনা। তার ওই সংস্থার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছিল যে, তাঁরা বিদ্বেশমূলক বিষয় প্রচার করেন, ঘৃণা বৃদ্ধি করে এমন কথা বলেন, বিভিন্ন জাতির মধ্যে সেটা ছড়িয়ে দেওয়া বলেও অভিযোগ রয়েছে।" এই বছরের মার্চ মাস নাগাদ গৃহ মন্ত্রালয় আইআরএফকে পাঁচ বছরের জন্য বে-আইনি বলে ঘোষন করে।

বিশেষ কর্মশালা
১৯৯০ সালের একদম প্রথম দিকে দাওয়া নামক কাজকর্মের জন্য সবার প্রথম নজরে আসেন। ইসলামকে গ্রহন করার জন্য এই বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। এর মাধ্যম ছিল আইআরএফ। এই জাকির নায়েকই আবার পিস টিভির প্রধান। তিনি এই চ্যানেলের মালিক ছিলেন। এই চ্যানালের ১০০ মিলিয়ন দর্শক ছিল। অনেকে তাঁকে সুন্নিদের সংস্কারক হিসাবে মানত। তার চিন্তাভাবনা বহু আনুস অনুপ্রানিত হয়েছিল।

আইনি জটিলতা
আইনি জটিলতাকে এড়াতে নায়েক মালয়েশিয়াতে পালিয়ে আসে। তার অবশ্য আগে থেকেই ওখানে স্থায়ী বাড়ি ঘর আছে। কিন্তু তারপরেও জাতীয় সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে সেই দেশও তাঁকে সেখানে তার বক্তব্য রাখা থেকে বিরৎ থাকতে বলা হয়েছিল।

বিশ্বকাপ নিয়ে অনেক বিতর্ক
তবে এসব ছাড়াও কাতার বিশ্বকাপ নিয়ে অনেক বিতর্ক হচ্ছে। সেখানে আচমকা সেখানে বিয়ার পান করা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে কোনও মহিলা দেহের অঙ্গ সমস্ত ঢাকা রেখে পোশাক পড়তে হবে। সেটা যদি তাঁদের সংস্কৃতি না হয় তাহলেও তা তাঁদের করতে হবে এমন নানা ফতোয়া দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications