'করোনায় যুব সম্প্রদায় ও মহিলারা সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত’, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

'করোনায় যুব সম্প্রদায় ও মহিলারা সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত’, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্রায় দু বছরের বেশি সময় ধরে করোনা তার চোখ রাঙানিতে ভয় দেখাচ্ছে বিশ্ববাসীকে। যদিও এখন কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে। করোনা গ্রাফ এখন অনেকটাই কম। তবে,বিশ্ব কিন্তু এখনও পুরোপুরি কোভিডমুক্ত হয়নি। এরই মাঝে কিন্তু জনসাধারণকে সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তরুণ ও মহিলারা কোভিডে সব থেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। করোনার জেরে কাজ হারিয়েছেন অনেক মানুষ। সেই সঙ্গে চোখের জলে বিদায় দিয়েছে প্রিয়জনদের। এই মহামারি মানুষকে ঠেলে দিয়েছে মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের দিকে।

কেন যুব সম্প্রদায় বেশি ঝুঁকিপূর্ণ

কেন যুব সম্প্রদায় বেশি ঝুঁকিপূর্ণ

তরুণ-তরুণীদের বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণ হল, এই করোনা ভাইরাস সম্পর্কে কম সচেতনতা, সতর্কতার অভাবে তাঁদের ঝুঁকি বাড়ছে। তাঁদের গবেষণা করা একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে করোনা ভাইরাসের প্রথম বছর ২৫ শতাংশ ব্যক্তি যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁরা মহিলা। তবে সচেতনতা ও সতর্কতার বার্তা কিন্তু বারবার দেওয়া হয়েছে।

মহামারির কারণে মানসিক চাপের সৃষ্টি

মহামারির কারণে মানসিক চাপের সৃষ্টি

করোনা মহামারির কারণে মানুষের ওপর অনেক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান কারণ হল সামাজিক বিচ্ছিন্নতা। কোথাও না যেতে পারা। আত্মীয়দের থেকে দূরে থাকা। সবার সঙ্গে মিলে মিশে না থাকতে পারা। স্বাস্থ্যকর্মীদের মহামারির সময়টা খুব সঙ্কটপূর্ণ ছিল। আর এই সামাজিক বিচ্ছিন্নতা থেকে দূরে থাকাটা কিন্তু বড় প্রভাব ফেলেছে যুব সম্প্রদায়ের ওপর, জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

 কী জানাল WHO

কী জানাল WHO

স্বাস্থ্যকর্মীরা জরুরিভিত্তিতে মানসিক সমর্থন দরকার। কিন্তু তাঁরা তা পাননি। আতঙ্ক, ভয়, দুঃস্বপ্ন তাদের গ্রাস করেছে। শারীরিক বিচ্ছিন্নতা সাধারণ মানুষকে অবসাদগ্রস্ত করে তুলেছে। তারা কোভিডে সংক্রমিত হওয়ার ভয়ে ভীত থাকতেন সবসময়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মৃত্যুভীতি ও প্রিয়জনকে হারানোর শঙ্কা। এমনটাই জানাচ্ছে WHO।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কী বলল

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কী বলল


মহামারিতে কিন্তু বিশ্বের স্বাস্থ্য পরিষেবাগুলিকে মারাত্মকভাবে আঘাত হেনেছে। যাদের যত্নের বেশি দরকার ছিল তাঁদের কিন্তু ততটা যত্ন করা হয়নি। ২০২১ সালের শেষের দিকে কোভিড পরিস্থিতি কিছুটা আসতে আসতে উন্নত হয়েছে। যদিও বা কিছু মানুষ যত্ন থেকে এখনও বঞ্ছিত। তাঁদের সেদিকে নজর দেওয়া খুব জরুরি। এমনটাই জানাচ্ছে WHO।

 সমীক্ষায় কী তথ্য উঠে এল

সমীক্ষায় কী তথ্য উঠে এল

সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের ৯০ শতাংশ করোনা আক্রান্ত রোগীর মানসিক স্বাস্থ্যের একটা বড় ঘাটতি হয়েছে। আরও জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে সরকারগুলি স্বাস্থ্য বাজেটের মাত্র ২ শতাংশের বেশি ব্যয় করেছে। কম আয়ের অনেক দেশ প্রতি ১ লক্ষ জনে ১ জনেরও কম মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী থাকার কথা জানিয়েছিলেন।

 ডেভোরা কেস্টেল কী জানালেন

ডেভোরা কেস্টেল কী জানালেন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডেভোরা কেস্টেল জানান, অর্থনৈতিক সঙ্কট, চাকরির অনিশ্চয়তা মানসিক পীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি দেশগুলিকে মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার জন্য দেশগুলিকে সঠিক পদক্ষেপ নিতে বলছেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+