Yahya Sinwar: হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার খতম! ইজরায়েলের বিরাট সাফল্য
Yahya Sinwar: হামাস প্রধান ইয়াহিয়া আর বেঁচে নেই। ইজরায়েলের অভিযানে তিন 'জঙ্গি'র যে মৃত্যু হয়েছে, সেই তালিকায় হামাস প্রধান রয়েছেন বলে দাবি ইজরায়েল সেনাবাহিনীর।
গত বছর এই ইয়াহিয়াই ইজরায়েলের উপর হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ৭ অক্টোবরের সেই হামলায় ইজরায়েলের ১২০০-র বেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল।

ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখেন, সত্যিই ইয়াহিয়ার মৃত্যু হয়েছে কিনা। আইডিএফের বিবৃতি অনুযায়ী, গাজায় ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেসের অভিযান চলাকালীন তিন জঙ্গি নিকেশ করা গিয়েছে। ইজরায়েল সিকিউরিটি অথরিটি খতিয়ে দেখছে জঙ্গিদের একজন ইয়াহিয়া সিনওয়ার কিনা। এর কিছুক্ষণ বাদেই নিশ্চিত করা হয়েছে ইয়াহিয়ার মৃত্যুর কথা।
নিহত বাকি জঙ্গিদের পরিচয় সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হামাস প্রধানের নিহত হওয়া নিশ্চিতভাবেই ইজরায়েলি সেনার বড় সাফল্য। যে বিল্ডিংয়ে জঙ্গিরা ছিল সেখানে আর কোনও জঙ্গি লুকিয়ে নেই বা কোনও বন্দিও সেখানে নেই বলে দাবি ইজরায়েলি সেনার।
প্রয়োজনীয় সতর্কব্যবস্থা নিয়েই অভিযান চালানো হচ্ছে। ইজরায়েলি মিডিয়ার দাবি, ইতিমধ্যেই নিকেশ হওয়া জঙ্গিদের দেহ ইজরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। তবে আইডিএফ শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল সিনওয়ারের মৃত্যু সম্পর্কে।
এক বছরের বেশি সময় ধরে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি সিনওয়ারকে। গাজা মেট্রোয় টানেলে তিনি লুকিয়ে ছিলেন বলে খবর। তবে সংবাদমাধ্যমে এমন খবরও আসছে যে, হামাস প্রধানকে হঠাৎ করেই মেরে ফেলা সম্ভব হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে তাঁকে খতম করার অভিযান চালানো হয়নি।
তবে এদিনই ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওয়াভ গালান্ট দাবি করেছিলেন, ইজরায়েলের শত্রুরা লুকিয়ে থাকতে পারবে না। যেখানেই থাকুক তাদের তাড়া করে নিকেশ করা হবে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হামাস প্রধানের নিহত হওয়ার খবর সামনে আসা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বয়স ৬১। সিনওয়ার হামাসে যোগ দেন ১৯৮০-র দশকে। হামাসের সৈন্যবাহিনী আল-কাসাম ব্রিগেডকে শক্তিশালী করতে তাঁর ভূমিকা ছিল। সিনওয়ার ১৯৯৮ সাল থেকে ইজরায়েলের কারাগারে বন্দি ছিলেন। ২০১১ সালে সিনওয়ার মুক্ত হন।
গত জুলাই মাসে ইজরায়েলের সেনা নিকেশ করেছিল ইসমাইল হানিয়েহকে। তারপরই হামাস প্রধানের দায়িত্ব পান ইয়াহিয়া। ইসমাইলের কার্যকলাপের বিরোধী ছিলেন ইয়াহিয়া। তিনি মনে করতেন, সশস্ত্র সংগ্রামেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন সম্ভব। ইয়াহিয়াকে কাতারের হামাস নেতারা মেগালোম্যানিয়াক বলে থাকেন। গাজায় ইয়াহিয়ার কর্মপন্থার ভিন্ন মতাবলম্বী থাকলেও হামাসের উপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ যথেষ্টই মজবুত ছিল। ইয়াহিয়ার মৃত্যুর পর মধ্য-প্রাচ্যে কী পরিস্থিতি তৈরি হয় সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications