অশেষ ক্ষমতার অধিকারী চিনা প্রেসিডেন্ট , ‘কমিউনিস্ট’ দেশ এবার ‘একনায়কতন্ত্রে’র গ্রাসে
সংবিধানের সংশোধনীতে এই নতুন ক্ষমতা পেতে চলেছেন চিনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট। তিন হাজার ভোটের মধ্যে ২৯৫৮টি ভোট পেয়ে চিনের ‘একনায়ক’ হতে চলেছেন জিংপিং।
আমৃত্যু প্রেসিডেন্ট থাকবেন জি জিংপিং। সংবিধানের সংশোধনীতে এই নতুন ক্ষমতা পেতে চলেছেন চিনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট। তিন হাজার ভোটের মধ্যে ২৯৫৮টি ভোট পেয়ে চিনের 'একনায়ক' হতে চলেছেন জিংপিং। এর ফলে মাও সে তুংয়ের দেশে ক্ষমতার অলিন্দে ঘটতে চলেছে ঐতিহাসিক পরিবর্তন।

রবিবার চিনের পার্লামেন্ট প্রেসিডেন্ট পদে সময়সীমা তুলে দিয়ে জিংপিংকে 'বিশাল' ক্ষমতার অধিকারী করে তুলল। সেইসঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদেও উঠে গেল সময়সীমা। সংবিধানের সংশোধিত আইনেই এবার আজীবন প্রেসিডেন্ট পদে থাকার ছাড়পত্র পেয়ে গেলেন জিংপিং।
২০১২ সাল থেকে চিনের ক্ষমতায় রয়েছেন জিংপিং। ২০২৩ সাল পর্যন্ত তাঁর ক্ষমতায় থাকার কথা। কিন্তু সেই বিদায়কাল আসার অনেক আগেই বদলে গেল চিনের সংবিধান। সেই সংবিধানের সংশোধনী আইনে আজীবন প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে পারবেন জিংপিং। একপ্রকার রাজতন্ত্রের মতোই ক্ষমতা পেয়ে গেলেন তিনি।
রবিবার যে বিল পেশ করা হয় চিনের সংসদে, সেই বিল পাস হয়ে যাওয়ার ফলে বিপুল ক্ষমতার অধিকারী হলেন কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক। এর ফলে বিশ্বের দরবারেও তাঁর আধিপত্য বাড়বে। তাঁর ক্ষমতার স্থায়িত্বই তাঁকে এগিয়ে রাখবে অন্যদের তুলনায়।
জিংপিংয়ের রাজত্বে চিন অর্থনৈতিকভাবে ও প্রতিরক্ষায় নিজেদের এক সুপার পাওয়ারে পরিণত করেছে। চিনের সংবিধান অনুযায়ী দুটি ৫ বছরের সময়সীমায় একজন প্রেসিডেন্ট থাকতে পারেন। সেই নিরিখে ২০১২-য় তিনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ২০২৩-এ তাঁকে ছাড়তে হত পদ। কিন্তু এখন আর তাঁর পদ ছাড়ার দরকার নেই। সংবিধান সংশোধন করে তিনি লাল-বাক্সের ভোটে জয়ী হয়েছেন। শুধু জয়ীই নন তিনি, সিংহভাগ ভোটই গিয়েছে জিংপিংয়ের দখলে।












Click it and Unblock the Notifications