পৃথিবীর গভীরতম 'সিঙ্কহোল'-এর খোঁজ মিলল দক্ষিণ চিন সাগরে!
দক্ষিণ চিন সাগরেই পৃথিবীর গভীরতম সিঙ্কহোলটি রয়েছে বলে দাবি করেছেন একদল চিনা গবেষক। সমুদ্রের তলদেশ থেকে ৯৮৭ ফুট গভীর এই সিঙ্কহোলটি বাহামাসের 'ব্লু-হোল' এর চেয়েও ৩০০ ফুট বেশি গভীর বলে জানা গিয়েছে। [ভারতে প্রবল অগ্ন্যুৎপাতের কারণে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয় ডাইনোসররা!]
এতদিন বাহামাসের 'ব্লু-হোল'-কেই গভীরতম সিঙ্কহোল হিসাবে ধরা হতো। তবে এটি তার চেয়েও গভীর বলে খবর প্রকাশিত করেছে চিনা সংবাদসংস্থা জিনহুয়া নিউজ এজেন্সি। [এই দেশে প্রথম খোঁজ মিলেছিল এইচআইভি ভাইরাসের]

সমুদ্রের মধ্যে গভীর গর্তকে তার গাঢ় নীল রঙের জন্য এমন নাম দেওয়া হয়। সমুদ্রের জলের চেয়ে এই অংশে সূর্যের আলো পুরোটা পৌঁছতে না পারায় এর রঙ বাকী অংশের চেয়ে গাঢ় হয়। একে সমুদ্রের মধ্যে অবস্থিত গুহা বলেও অভিহিত করা হয়। [এবার জলের ফোঁটায় চলবে কম্পিউটার]
জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালের অগাস্ট মাসে চিনের 'সানশা শিপ কোর্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর কোরাল প্রোটেকশন' 'ড্রাগন হোল' নিয়ে গবেষণা শুরু করে। সেখানেই উঠে এসেছে এই ৪২৬ ফুট চওড়া সিঙ্কহোলের খবর। এটি এতটাই গভীর যে আস্ত আইফেল টাওয়ারকে নিজের ভিতরে ঢুকিয়ে নিতে পারে। [সূর্যের চেয়ে আয়তনে ৬৬ কোটি গুণ বড় 'ব্ল্যাক হোল'!]
গবেষকরা এই সিঙ্কহোলের গভীরতা মাপতে আন্ডারওয়াটার রোবটের সাহায্য নেন। এর ভিডিও রশ্মির মাধ্যমে সিঙ্কহোলের গভীরতা মাপা সম্ভব হয়েছে। এই জলে কোনও অক্সিজেন না থাকায় তাতে কোনও প্রাণ বাঁচতে পারবে না বলেও দাবি করেছেন গবেষকরা।
চিনের গবেষকরা এই সিঙ্কহোলের নাম দিয়েছেন 'দ্য সানশা য়োঙ্গল ব্লু হোল'। এই সিঙ্ক হোলকে সর্বতোভাবে রক্ষা করা ও এই নিয়ে আরও গবেষণা চলবে বলেও জানিয়েছেন চিনের 'সানশা শিপ কোর্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর কোরাল প্রোটেকশন'-এর গবেষকেরা।












Click it and Unblock the Notifications