রোহিঙ্গা ইস্যুতে দ্বিধাবিভক্ত বিশ্ব, চিন, রাশিয়ার বিরোধিতা করে রোহিঙ্গাদের পাশে আমেরিকা
বর্তমান পরিস্থিতি রোহিঙ্গাদের জন্য দুঃস্বপ্নের মত হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মায়ানমার প্রশাসনকে চাপ দিলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান অ্যান্টোনিও গুটেরেস
বর্তমান পরিস্থিতি রোহিঙ্গাদের জন্য দুঃস্বপ্নের মত হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মায়ানমার প্রশাসনকে চাপ দিলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান অ্যান্টোনিও গুটেরেস। বৃহস্পতিবারই মায়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ। বৈঠকেও রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধানের ওপরই বেশি জোর দেওয়া হয়।

এদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারের পাশে দাঁড়িয়েছে চিন ও রাশিয়া। তবে আমেরিকা কিন্তু এই ইস্যুতে রোহিঙ্গাদেরই সমর্থন করছে। আমেরিকার দাবি, মায়ানমার প্রশাসন দেশের একটি ঐতিহ্যশালী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে মুছে ফেলতে চাইছে। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের জন্য ১৫ সদস্যের মধ্যে ৭ সদস্যই সমর্থন করে। এই বৈঠকে রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান অবিলম্ব সামরিক অভিযান বন্ধের পক্ষে সওয়াল করেন। সেইসঙ্গে বিতর্কিত এলাকায় রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক আচরণেরও দাবি জানান তিনি। সেইসঙ্গে ঘরছাড়ারা যাতে দ্রুত ঘরে ফিরে আসতে পারে মায়ানমার সরকারকে তার ব্য়বস্থাও করতে বলেছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান।

এদিকে এই বৈঠকেই রোহিঙ্গাদের নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত হতে দেখা গেল বিশ্বের উন্নত দেশগুলিকে। মায়ানমারের কড়া সমালোচনা করে মার্কিন প্রতিনিধি নিক্কি হ্যালে বলেন, মায়ানমার প্রশাসন যা পদক্ষেপ করছে তাকে এককথায় বলতে গেলে দেশের প্রাচীন একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে মুছে ফেলার নৃশংস প্রয়াস। সেইসঙ্গে নোবেন শান্তি পুরস্কার পাওয়া অন সাং সুকিকেও তোপ দাগতে ছাড়েনি আমেরিকা।
বৃহস্পতিবারই বাংলাদেশের কক্সবাজার উপকূলের কাছে রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটি নৌকা উল্টে যায়। এই নৌকাডুবিতে কমপক্ষে ১৫জনের মৃত্যু হয়েছে । প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, উপকূলের কাছাকাছি চলে এসেছিল নৌকাটি। কিন্তু খারাপ আবহাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রে উল্টে যায় নৌকাটি। এই ঘটনার বেশ কিছুক্ষণ পরে ১০ শিশু সহ ১৫জনের দেহ সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসে।












Click it and Unblock the Notifications