অভিযোজিত করোনা ভয়ে তটস্থ গোটা বিশ্ব! ব্রিটেনে কীভাবে নয়া করোনা স্ট্রেনের দেখা মিলল জেনে নিন
ভয় ধরাচ্ছে মারণ ভাইরাস! কিন্তু ব্রিটেনে কীভাবে নয়া করোনা স্ট্রেনের দেখা মিলল?
ইতিমধ্যেই নয়া করোনা স্ট্রেন ভয়ে তটস্থ গোটা ব্রিটেন। জারি হয়েছে লকডাউন। অন্যদিকে প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ব্রিটেনের সঙ্গে সমস্তরকম বিমান সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে একাধিক দেশ। যদিও তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। ইতিমধ্যেই এই শক্তিশালী করোনা স্ট্রেন থাবা বসিয়েছে ইতালি, উত্তর আয়ালল্যান্ড, ভারত, নাইজেরিয়া সহ একাধিক দেশে। কিন্তু ব্রিটেনে প্রথম এই নয়া মারণ ভাইরাসের খোঁজ কী ভাবে পাওয়া গেল জানেন কী?

ডিসেম্বরের শুরুতেই নয়া স্ট্রেনের খোঁজে শুরু গবেষণা
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ডিসেম্বর পড়তেই গোটা ব্রিটেনেই ফের করোনার লাগামাছাড়া বৃদ্ধি দেখা যায়। যা দেখে বেশ খানিকটা আবকই হয় স্বাস্থ্য মহল। এমনকী সমস্ত বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ মানা সত্ত্বেও কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না মারণ করোনাকে। তখনই এই বিষয়ে প্রথম বিশদ গবেষণা শুরু করেন ব্রিটেনের গবেষকরা।

সর্বাধিক সংক্রমণ দক্ষিণ-পশ্চিম ব্রিটেনে
এদিকে গোটা ডিসেম্বরেই সবথেকে বেশি সংক্রমণ দেখতে পাওয়া যায় দক্ষিণ-পশ্চিম ব্রিটেনে। শুরু হয়ে যায় লকডাউনও। কিন্তু তারপরেও সংক্রমণের গতিতে লাগাম টানা যায়নি। যদিও প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছিল লকডাউন শুরুর আগে সাধারণ মানুষের করোনা বিধি পালনে অনীহাই আসল বিপদ ডেকে আনছে। করোনা বিধি, সামাজিক দূর তোয়াক্কা না করে একাধিক অনুষ্ঠানে মেতে ওঠা, পার্টিতে অংশগ্রহণের কারণেই সামগ্রিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হয় বলে মনে করা হয়। যদিও পরে সেই ভুল ভাঙে।

কেন্টের আক্রান্ত রোগীর শরীরে প্রথম নয়া করোনা স্ট্রেনের খোঁজ
এদিকে ডিসেম্বরের শুরু থেকে নতুন করোনা প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় ৮ ডিসেম্বর থেকে কোভিড -১৯ জিনোমিক্স ইউ কে কনসোর্টিয়ামের একদল বিজ্ঞানী নতুন করে গবেষণা শুরু করেন। তখনই কেন্টের এক করোনা আক্রান্ত রোগীর শরীরে এক নতুন ধরণের করোনা ভাইরাসের দেখা মেলে। যা প্রায় ২৩ বার অভিযোজিত হয়েছে বলে জানা যায়। যা দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিশেষজ্ঞরাই। এদিকে এই নয়া করোনা স্ট্রেনই আগের থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি শক্তিশালী ও ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রমণ বলে জানা যায়।

জিনসজ্জায় প্রায় ১৭ রকম বদল
সূত্রের খবর ইতিমধ্যেই ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকাতেও এই স্ট্রেনের খোঁজ মিলেছে। ব্রিটিশ গবেষকদের মতে, আগেরবারের থেকে এবারের ভাইরাসের এবারের জিনসজ্জায় প্রায় ১৭ রকম বদল ঘটিয়েছে কোভিড ভাইরাস। এদিকে ২০১৯ সালে প্রথম দেখা মেলার পর এর আগেও একাধিকবার একাধিক ক্ষেত্রে অভিযোজিত হয়েছে করোনা। তবে এইবারের বদলে স্পাইক প্রোটিনে হেরফেরের কথা জানান বিশেষজ্ঞরা। ফলস্বরূপ শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি ও ভ্যাকসিনেও তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মত গবেষকদের।












Click it and Unblock the Notifications