ইকুয়েডরের দূতাবাস থেকে গ্রেফতার জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জ
উইকিলিক্সের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জকে, লন্ডনস্থিত ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রয়ে থাকা অবস্থাতেই গ্রেফতার করেছে ব্রিটিশ পুলিশ।
উইকিলিক্সের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জকে, লন্ডনস্থিত ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রয়ে থাকা অবস্থাতেই গ্রেফতার করেছে ব্রিটিশ পুলিশ। গ্রেফতারি এড়াতে ২০১২ থেকে ওই দূতাবাসেই, রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন, কোলাটেরল খুন, আফগানিস্তান-ইরাকের যুদ্ধ, আমেরিকার কূটনৈতিক কেবল গেটের তথ্য ফাঁস করা, অস্ট্রেলিয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার। সেন্ট্রাল লন্ডন পুলিশ স্টেশনে অ্যাসেঞ্জকে বন্দি করে রাখা হয়েছে বলে খবর।

উল্লেখ্য, এমাসের শুরুতেই, জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জের বিরুদ্ধে তাঁদের লন্ডনস্থিত দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকাকালীন, সব শর্ত উলঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো। তারা অ্যাসেঞ্জকে আর আশ্রয়ে রাখবেন না বলে সাফ জানিয়েও দেন ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট। এরপরেই লন্ডনস্থিত ইকুয়েডর দূতাবাসের তরফে ব্রিটিশ পুলিশকে ডেকে পাঠিয়ে উইকিলিক্সের প্রতিষ্ঠাতাকে ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।
২০০৬-এ উইকিলিক্স তৈরি করেন জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জ। ২০১০-এ কোলাটেরল খুন, আফগানিস্তান-ইরাকের যুদ্ধ, কূটনৈতিক কেবল গেটের মতো ঘটনার তথ্য ফাঁস করে তিনি আমেরিকার বিষ নজরে পড়েন। আবার ওই বছরই অ্যাসেঞ্জের বিরুদ্ধে দুই সুইডিস মহিলাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগও ওঠে। এরপরেই উইকিলিক্সের প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে সুইডেন। গ্রেফতারি এড়াতে লন্ডন পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন অ্যাসেঞ্জ। ২০১১-তে উইকিলিক্সের প্রতিষ্ঠাতাকে সুইডেনে প্রত্যর্পণের নির্দেশ দেন ব্রিটেন আদালতের বিচারক। সুইডেন তাঁকে আমেরিকার হাতে তুলে দিতে পারে, আশঙ্কায় ২০১২ থেকে লন্ডনস্থিত ইকুয়েডরের দূতাবাস রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকতে শুরু করেন জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জ।












Click it and Unblock the Notifications