এবার মাস্ক পড়া নিয়ে উল্টো সুর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গলায়! করোনা থামাতে কী করবেন?
লকডাউন জারির আগেও রাস্তা ঘাটে সবার মুখে মুখে দেখা গিয়েছে মাস্ক। সুস্থ মানুষ হোক বা ঠান্ডা কাশির জেরে অসুস্থ, সবার মুখেই দেখা গিয়েছে মাস্ক। তবে এরপর সরকারের তরফে জানানো হয় যে সকলের মাস্ক পরে ঘোরাঘুরির কোনও দরকার নেই।এমনকি, এন-৯৫ জাতীয় মাস্ক বেশি ক্ষণ পরে থাকলে হিতে বিপরীতও হতে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গলায় কোন সুর?
তবে এবার সরকারের সেই বক্তব্যের বিপরীত কথা শোনা গেল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গলায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি স্বাস্থ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইকেল রায়ান বলেন, 'আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাস্কের ব্যবহার সংক্রমণ হ্রাসে সহায়তা করেছে। তাই করোনা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে যেসব দেশ মাস্ক ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত করেছে সেসব দেশকে আমরা সমর্থন জানাচ্ছি।'

সার্জিক্যাল মাস্ক নিয়ে আশঙ্কাবাণী
তবে সর্বসাধারণের মাস্ক ব্যবহারের ফলে বিশ্ব জুড়ে সার্জিক্যাল মাস্কের সংকট দেখা দিতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনা সংক্রমণ রোধে মাস্ক ব্যবহারের কথা বললেও আগের মতো ঘন ঘন হাত ধোয়া, নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব রক্ষা ও বারবার মেডিক্যাল টেস্ট করানোকে করোনা ঠেকানোর প্রধান পদক্ষেপ হিসেবে আবারও বর্ণনা করেছে সংস্থাটি।

এর আগে অন্য উপদেশ দিচ্ছিল WHO
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে গত তিন মাস ধরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেসব উপদেশ দিয়ে আসছে সেখানে জনসাধারণের জন্য মাস্ক পরার বিষয়টি ছিল না। শুধু চিকিত্সক ও নার্সদের সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছিল সংস্থাটি। সুর পালটে এবার সবার জন্য মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

বাজারে মাস্কের আকাল
তবে বাজারে এমনিতেই মাস্কের আকাল। লকডাউনের জেরে তো আরও পাওয়া যাচ্ছে না মাস্ক। তবে অত্যন্ত জরুরি কাজে বাইরে বেরচ্ছেন এমন নাগরিক এই ফেস কেয়ার মুখে পরে বাড়ির বাইরে পা রাখতে হবে। সার্জিক্যাল মাস্কগুলো চিকিত্সক ও নার্সদের জন্য সংরক্ষণ করে সাধারণ মানুষকে বাড়িতে তৈরি মাস্ক ব্যবহার করার জন্য বলেছে এই সংস্থা।












Click it and Unblock the Notifications