লক্ষ্য মার্কিন ভারত সম্পর্কের উন্নতি, হোয়াইট হাউসে পালিত হবে দীপাবলি, শুরু প্রস্তুতি

হোয়াইট হাউসে পালিত হবে দীপাবলি। এমনটাই জানিয়েছে হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষ। এটা হবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দ্বিতীয় দীপাবলি যা তিনি হোয়াইট হাউসে পালন করতে চলেছেন। তবে অনুষ্ঠানের যে সূচী বা কীভাবে তা পালন করার কথা ভাবা হচ্ছে তা জানা যায়নি।

কী বলছে হোয়াইট হাউস?

কী বলছে হোয়াইট হাউস?

হোয়াইট হাউসের সাংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক কেরেন জ পিয়ের সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, "হ্যাঁ, গত বছরের মতো এই বছরেও হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষ তা পালন করছে। তিনি জানিয়েছেন, "আমাদের নির্দিষ্ট কোনও তারিখ নেই বা সময় নেই। আর সেটা এই মুহূর্তে নেই। তবে প্রেসিডেন্ট মনে করেন এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ভারত এবং মার্কিন সম্পর্কের জন্য। আমরা এই উৎসবের মাধ্যমে আরও আমাদের যে বন্ধন তা শক্ত করতে চাই।' এমনটাই জানিয়েছেন জ পিয়ের।

 হেরিটেজ মাস

হেরিটেজ মাস

অন্যদিকে ম্যারিল্যান্ডের গভর্নর লরেন্স হোগ্যান পুরো অক্টোবর মাসকেই হেরিটেজ মাস বলে ঘোষনা করেছেন। বাইডেন গত বছর দেওয়ালি নিয়ে টুইট করে বলেছিলেন যে, "দীপাবলির আমাদের সমস্ত অন্ধকার থেকে বার করে আনুক। শিক্ষা, সত্য , জ্ঞান , স্বাধীনতা, এসবের আলো আমাদের সবার জীবনে বেশি করে আসুক। এরসঙ্গে তাঁরা একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন যেখা যায় যে তিনি এবং মার্কিন 'ফার্স্ট লেডি' জিল বাইডেন দুজনে একসঙ্গে প্রথা ও সংস্কৃতি মেনে জ্বালান প্রদিপ।"

 কী বলেছিলেন বাইডেন?

কী বলেছিলেন বাইডেন?

গত বছর মার্কিন উপরাষ্ট্রপতিও এই দীপাবলি নিয়ে বড় ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন যে, সারা বিশ্বের পাশাপাশি আমেরিকাতেও আজ সর্বত্র দীপাবলি পালিত হয়। একইভাবে তাই সবাইকে বলব যে আপনারা এই উৎসবে অংশ নিন, জীবনে ফুটুক আলো" এই রীতি চালু হয়েছিল জর্জ বুশের হাত ধরে যা এখন ক্রমে এগিয়ে চলেছে।

গুরুত্বপূর্ণ উৎসব

গুরুত্বপূর্ণ উৎসব

হিন্দুদের কাছে, দীপাবলি একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এই দিন সব হিন্দুরা বাড়িতে নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। বাংলা, আসাম, ওড়িশা ও মিথিলাতে এই দিনটি কালীপূজা হিসেবে উদ্‌যাপন করা হয়। ভারতীয় সমাজের দৃঢ় বিশ্বাস 'দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন' বা 'ন্যায়ের কাছে অন্যায়ের পরাজয়' এই নীতিতে। দীপাবলির মাধ্যমে উপনিষদের আজ্ঞায় এই কথাটা খুবই সদৃঢ় ভাবে চরিতার্থ হয়ে ওঠে যথা "অসতো মা সৎ গময়। তমসো মা জ্যোতির্গময়। মৃত্যোর্মা অমৃতং গময়। "অসৎ হইতে সত্যে লইয়া যাও, অন্ধকার হইতে জ্যোতিতে লইয়া যাও, মৃত্যু হইতে অমরত্বে লইয়া যাও। সর্বত্র যেন ছড়াইয়া পড়ুক শান্তির বার্তা

উত্তর ভারতীয় হিন্দুদের মতে দীপাবলির দিনেই শ্রীরামচন্দ্র চৌদ্দ বছরের নির্বাসনের পর অযোধ্যা ফেরেন। নিজের পরমপ্রিয় রাজাকে ফিরে পেয়ে অযোধ্যাবাসীরা ঘিয়ের প্রদীপ জ্বেলে সাজিয়ে তোলেন তাদের রাজধানীটাকে। এই দিনটিতে পূর্বভারত বাদে সম্পূর্ণ ভারতবর্ষে লক্ষ্মী-গণেশের পুজোর নিয়ম আছে। জৈন মতে, ৫২৭ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে মহাবীর দীপাবলির দিনেই মোক্ষ বা নির্বাণ লাভ করেছিলেন। ১৬১৯ খ্রিষ্টাব্দে শিখদের ষষ্ঠ গুরু হরগোবিন্দ ও ৫২ জন রাজপুত্র দীপাবলির দিন মুক্তি পেয়েছিলেন বলে শিখরাও এই উৎসব পালন করেন। আর্য সমাজ এই দিনে স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর মৃত্যুদিন পালন করে। তারা এই দিনটি "শারদীয়া নব-শস্যেষ্টি" হিসেবেও পালন করেন। এছাড়া, নেপাল-ভারত-বাংলাদেশের সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যেই এই উৎসব নিয়ে উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+