White House in Adani Bribery Case: আদানি ঘুষকাণ্ডে মুখ খুলল হোয়াইট হাউস, ভারতকে নিয়ে কী জানাল বাইডেন প্রশাসন?
White House in Adani Bribery Case: আদানি ঘুষ ও প্রতারণাকাণ্ডে এবার মুখ খুলল হোয়াইট হাউস। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে বিষয়টি সামনে আনেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কেরিন জিয়ান পিয়ের। বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (Joe Biden) প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত রয়েছে বলে জানানো হয় হোয়াইট হাউসের তরফে।
ভারত আমেরিকার মধ্যে যে মজবুত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (India US Relation) রয়েছে, আদানি ইস্যুর জেরে তাতে প্রভাব পড়বে না বলেই আশবাদী বাইডেনের প্রশাসন (Biden Administration)। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখপাত্র বলেন, "আমাদের আশা, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক এই সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে উপযোগী হবে। আমরাও বিষয়টি নিয়ে সচেতন।"

নিউইয়র্কের আদালত বৃহস্পতিবার গৌতম আদানি ও সাগর আদানির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (Arrest Warrant) জারি করে। আদালতের অভিযোগ, সোলার এনার্জি সাপ্লাইয়ের কন্ট্র্যাক্ট পেতে ভারত সরকারের শীর্ষকর্তাদের ২৬.৫ কোটি ডলার ঘুষ (Bribe) দিয়েছে আদানি কর্তারা। একা গৌতম আদানি নন, ভাইপো সাগর আদানি-সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা দায়ের করে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত।
আদালতের দাবি, ঘুষের কথা রাখঢাক করতে বেশকিছু পন্থা অবলম্বন করা হয়েছিল। ষড়যন্ত্রকারীদের একাংশ গৌতম আদানির (Gautam Adani) সঙ্গে কোড নেম নিয়ে যোগাযোগ করত। 'নিউমেরো ইউনো', 'দ্য বিগ ম্যান' এইসব নামে আদানিকে সম্বোধন করা হত। সাগর আদানির (Sagar Adani) মোবাইলেও ঘুষের বিষয়ে তথ্য রয়েছে বলে দাবি আমেরিকার।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাঙ্ককে লুকিয়ে এই লেনদেন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। সোলার এনার্জি প্রোজেক্টের জন্য আমেরিকার বাজার (US Share Market) থেকে কোটি কোটি টাকা তুলে তা ঘুষ দেওয়া হয় বলে দাবি। আমেরিকার বিনিয়োগকারীদের (Investors) সঙ্গেও প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে মার্কিন আদালত।
এদিন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আরও জানান, "আমরা সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে সচেতন রয়েছি। একইসঙ্গে সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ও বিচার বিভাগকে এনিয়ে নির্দিষ্ট প্রমাণ পেশ করতে হবে। ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। সেসময় এরকম একটি অভিযোগ দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করি আমরা।"












Click it and Unblock the Notifications