Bangladesh: এখনও অশান্ত বাংলাদেশ, কী অবস্থায় রয়েছেন সেখানকার হিন্দুরা
বাংলাদেশ উত্তাল। চরম অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গোটা দেশে। হাসিনা দেশ ছাড়ার পরেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিংসার ঘটনা ঘটে চলেছে। হাসিনার সরকারি বাসভবনে লুঠপাট চালানো হয়েছে। সংসদ ভবনের ভেতরেও ভাঙচুর চলেছে।
বঙ্গবন্ধুর মুর্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হাসিনা দেশ ছাড়ার পর বাংলাদেশে যে খণ্ড চিত্র সাংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে বারবার শ্রীলঙ্কা এবং সদ্দাম হুসেলেন মূর্তি ভাঙার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বেকে।

বাংলাদেশে একদিকে যেমন আওয়ামী লিগের একাধিক অফিসে ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে সেকরম বাংলাদেশে একাধিক হিন্দু মন্দির এবং আশ্রমে অগ্নি সংযোগ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন সেখানকার ছাত্ররা।
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক থাকার কারণে ভারতে বাংলাদেশে বসবাসকারীদের আত্মিয় পরিজন রয়েছেন। তাঁরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একাধিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে চোখ রেখেছেন তাঁদের আত্মীয়রা। গোটা বাংলাদেশ জুড়ে একাধিক জায়গায় অগ্নিসংযোগ-হামলা -ভাঙচুর চলছে। বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে এবং মিউজিয়ামে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট তো করা হয়েইছে সেই সঙ্গে হিন্দুদের মন্দির-আশ্রমেও হামলার ঘটনা ঘটে চলেছে।
গত কয়েক বছর ধরেই হাসিনা সরকার থাকাকালীনই বাংলাদেশে একাধিক জায়গায় হিন্দুদের উপরে হামলার ঘটনা বেড়েছিল। দুর্গাপুজোর মণ্ডপ পুড়িয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে ইস্কনের মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। হাসিনা সরকারের পতনের পরে সেই ঘটনা যে বাড়বে বাংলাদেশে সেটা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এই অরাজকতার সুযোগ নিদে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপরে হামলা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সোমবার হাসিনা দেশ ছাড়ার পর ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সন্টারে ভাঙচুর চালানো হয়। ২০১০ সালে এই কালচারাল সেন্টারটির উদ্বোধন করা হয়েছিল। ভারত থেকে শিল্পীরা গিয়ে সেখানে অনুষ্ঠান করতেন। বাংলাদেশের শিল্পীরাও অনুষ্ঠান করতেন সেখানে। ভারত এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি কেন্দ্র বলে মনে করা হতো এই সেন্টারটিকে। সেই সেন্টারে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
জানা গিয়েছে গোটা দেশে হিন্দুদের চারটি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। যদিও অনেক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেই বিশেষ করে হিন্দু সনাতনীদের ওপরে হামলার ঘটনাকে ভুয়ো বলে দাবি করা হয়েছে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি সেখানে কী রয়েছে সেটা সেখানকার বাসিন্দারাই বলতে পারবেন। তবে ছাত্র আন্দোলনকারীরা বারবারই অনুরোধ করেছেন কোনও ভাবেই সাম্প্রদায়িক হিংসাকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।












Click it and Unblock the Notifications