Bangladesh Operation Devil Hunt: বাংলাদেশ জুড়ে 'শয়তান' খুঁজে বেড়াচ্ছে যৌথ বাহিনী! কী এই বিশেষ অপারেশন? জানুন
Bangladesh Operation Devil Hunt: শেখ হাসিনা সরকার এখন আরও বাংলাদেশে নেই! ইউনূসের জামানায় প্রশ্নের মুখে আইনশৃঙ্খলা। গত কয়েকমাসে একাধিক আন্দোলন-বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছে ঢাকা সহ একাধিক এলাকা। ঘটেছে প্রকাশ্যে খুন ডাকাতির ঘটনাও। সম্প্রতি যেভাবে একদল কট্টরপন্থী স্মৃতি বিজড়িত শেখ মুজিবর রহমানের বাড়ি ভেঙে দিয়েছে তাতে বিশ্বের দরবারে মুখ পুড়েছে ইউনূসের।
এরপরেই বাংলাদেশজুড়ে 'ভূত' খুঁজতে নেমেছে বাংলাদেশ পুলিশ! অবাক হচ্ছেন তো! দেশজুড়ে 'Operation Devil Hunt' শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনী সহ বাংলাদেশের সমস্ত নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি একযোগে এই অভিযান চালাচ্ছে। আর এই অভিযোগে এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে ১৩০০ এরও বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিশেষ করে সেই সব লোকদের বিরুদ্ধে এই অভিযান চালানো হচ্ছে যারা সরকারের মতে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

What is Operation Devil Hunt: ডেভিল হান্ট আসলে কী?
দেশের বিভিন্ন অংশে রাতভর এই অভিযান (Bangladesh Operation Devil Hunt) চালানো হচ্ছে। মূলত হিংসাকে মদত দেওয়া, অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন কাউকে মনে হলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। বাদ পড়ছেন না দেশের প্রাক্তন সাংসদ, পুলিশ আধিকারিকরাও। বলে রাখা প্রয়োজন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরে ছাত্র ও সাধারণ মানুষের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। মুজিবের বাড়ি ভাঙচুরের পরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। আর এরপরেই দেশজুড়ে এহেন অপারেশনের নির্দেশ দেন মহম্মদ ইউনূস।
Bangladesh Operation Devil Hunt: রাজনৈতিক কানেকশন
অভিযোগ উঠছে এই অভিযানে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। প্রকৃত অপরাধীদের ধরার কথা বলা হলেও আদৌতে আওয়ামী লীগের লোকজনকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। গাজিপুর থেকে ৮১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও একাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার যৌথ বাহিনী করেছে বলেই দাবি।
ইউনূস সরকারের নির্দেশে এই অভিযান ঘিরে নতুন করে আশঙ্কার কালো মেঘ ওপার বাংলাজুড়ে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন, Operation Devil Hunt আপাতত চলবে। আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে সরকার কড়া বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।
Bangladesh Operation Devil Hunt: কারা দায়িত্বে আছে?
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, সমূলে সন্ত্রাস নির্মূল করতেই এই অপারেশন শুরু করা হয়েছে। আর তা করতে দেশের বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কাজে লয়াগানো হয়েছে। বাহিনীর সদস্যরা নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সারা দেশে একযোগে যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে। আর এই বাহিনীগুলোর মধ্যে রয়েছে পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবি।












Click it and Unblock the Notifications