পাকিস্তানের কালো তালিকাভুক্ত হওয়া কি সময়ের অপেক্ষা? ফাইনাল রিপোর্টের আগে কী বলল এফএটিএফ
সন্ত্রাসে আর্থিক মদত ও আর্থিক তথ্য বন্ধ করতে পাকিস্তান যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
সন্ত্রাসে আর্থিক মদত ও আর্থিক তথ্য বন্ধ করতে পাকিস্তান যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এমনটাই জানিয়েছে এপিজি বা এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ। যেটি আসলে এফএটিএফ বা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের আঞ্চলিক শাখা।

পাকিস্তানকে নিয়ে দেওয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, কালো তালিকাভুক্ত দেশ হিসেবে পাকিস্তানকে নিজেদের বাঁচাতে হলে ইসলামাবাদকে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এবং সেদেশের মাটিতে সক্রিয় থাকা জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। তার সঙ্গে আর্থিক সংস্থান বন্ধ করতে হবে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের উচিত জঙ্গিগোষ্ঠী যেমন - দয়েশ, আল-কায়েদা, জামাত-উদ-দাওয়া, লস্কর-ই-তৈবা, জঈশ ই মুজাহিদিন, হাক্কানি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা। যাতে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়া যায়। এবং এই সমস্ত গোষ্ঠী পাকিস্তানের কাছ থেকে আর্থিক মদত যাতে না পেতে পারে সেটাও ইসলামাবাদকে নিশ্চিত করতে হবে।
২০১৮ সালের জুন মাসে সন্ত্রাসে আর্থিক মদতের কারণেই এফএটিএফ পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত করে দিয়েছে। সঙ্গে ১৫ মাসের ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিল। যাতে এই সময়ের মধ্যে ইসলামাবাদ ভুলত্রুটি শুধরে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।
সেই রিভিউ এই মাসের শেষে করা হবে। তার আগে এফএটিএফ যে বক্তব্য পেশ করল তাতে পাকিস্তানের কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আরও অনেকগুণ বেড়ে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications