মার্কিন 'ড্রাগন লেডি'ই চিনের টুঁটি টিপে ধরতে যথেষ্ট! কেন এই গুপ্তচর-অস্ত্রে ভয়ে কাঁপছে বেজিং
মার্কিন 'ড্রাগন লেডি'ই চিনের টুঁটি টিপে ধরতে যথেষ্ট! কেন এই গুপ্তচর-অস্ত্রে ভয়ে কাঁপছে বেজিং
কয়েকদিন আগেই চিন , দাবি করেছিল তাদের আকাশপথে মার্কিন গুপ্রচর বিমান ইউ২ ঢুকে পড়েছিল। যার জেরে চিন নিজের সেনা মহড়া স্বস্তি মতো করতে পারেনি। উল্লেখ্য, মার্কিন মুলুকের এই গুপ্তচর বিমান ঘিরে বহুকার ধরেই সন্ত্রস্ত গোটা বিশ্ব। লকহিড মার্টিনের নির্মিত এই ইউ টু আসলে কী ? যার জন্য চিন এতটা সন্ত্রস্ত? দেখে নেওয়া যাক।

চিন ভয়ে কাঁপছে!
বেজিংয়ের দাবি, মার্কিন গুপ্তচর বিমান ইউ-টু চিনের নোফ্লাই জোনের মধ্যে দিয়ে উড়ে গিয়েছে সদ্য়। খুব উচ্চতায় উড়তে পারে এই সুদক্ষ বিমানগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম 'চোখ' বলা যায়। আর সেই চোখ দিয়েই চিনের অন্দরে নজর রাখছে আমেরিকা, বলে দাবি করেছে বেজিং। উল্লেখ্য, আমেিকার এইগুপ্তচর বিমান ৭০ হাজার ফুট উপর দিয়ে উড়ে যেতে পারে, কোনও মিসাইল হামলার থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে। ফলে চিনের কাছে এটি বড় 'হুমকি' হয়ে উঠছে।

ইউটুর হাত ধরে নতুন পদক্ষেপে আমেরিকা!
জানা গিয়েছে, মার্কিন ' অ্যাডভান্সড ব্যাটল ম্যানেজমেন্ট ' এর আওতায় এই বিমানকে অন্তর্ভূক্ত করবে আমেরিকা। এই নতুন পদক্ষেপের জেরে আমেরিকার যুদ্ধাস্ত্রের সঙ্গে সেন্সর সিস্টেম ভালো কাজ করবে। আর এই দুয়েই মেলবন্ধনে আমেরিকা সমুদ্র, স্থল ও আকাশপথে তাবড় নজরদারি করতে পারবে। আর এই তথ্য প্রকাশ্যে
আসতেই চিনের বুকে কাঁপুনি ধরেছে।

আসল 'ড্রাগন লডি' কে?
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সবচেয়ে বড় শক্তি হল ইউ টু। যার দ্বারা সহজেই তারা আকাশপথে নজরদারি চালাতে পারে। এই ইউ-টুকেই বলা হয় ড্রাগন লেডি। বিশ্বের তাবড় শক্তিধর গুপ্তচর বিমানের মধ্যে সেরা হল এঅি ইউ-টু। আর এই বিমান নিয়েই এবার চিন রীতিমতো ত্রস্ত।

কীভাবে কাজ করে এই গুপ্তচর বিমান?
১৯৫৫ সালে প্রথম আকাশ ছোঁয় এই গুপ্তচর বিমান ইউ -টু। এরপর কার্যকরী হয়েছে ১৯৫৬ সাল থেকে। তারপর বিভিন্ন সেন্সর সিস্টেমের দৌলতে এই বিমান বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আমেরিকার সিআইএর হাতে তুলে দিয়েছে। কিউবা ও সোভিয়েতের সঙ্গে আমেরিকার বিভিন্ন সময়ে সংঘাতে মার্কিন গোয়েন্দাদের সমৃদ্ধ করেছে লকহিড মার্টিনের সেরা ইঞ্জিনিয়ারের হাতে তৈরি এই বিমান।

যুদ্ধবিদ্যা আরও কঠিন হতে চলেছে!
মার্কিন মুলুকের এই 'অ্যাডভান্সড ব্যাটল ম্যানেজমেন্ট '
এর হাত ধরে আগামীর যুদ্ধবিদ্যা আরও কঠিন হচ্ছে। কারণ, এই যুদ্ধবন্দোবস্তে যান্ত্রিক গোয়েন্দাগিরির সঙ্গে আমেরিকা যুক্ত করেছে যুদ্ধাস্ত্র। এরসঙ্গে থাকছে আমেকিরা 'জয়েন্ট সার্ভেলেন্স টার্গেট অ্যাটাক ব়্যাডার সিস্টেম ' সব মিলিয়ে দক্ষিণ চিন সাগরে মার্কিন এই 'ড্রাগন লেডি' একাই ড্রাগন বাহিনীকে কুপোকাত করতে 'গোকুলে বাড়ছে'!












Click it and Unblock the Notifications