Donald Trump: ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের স্থান বদল, চার দশক পর ফিরছে ব্যতিক্রমী ঘটনা
আগামী সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কয়েক মাস আগেই তিনি প্রেসিডেন্ট পদে জিতেছেন। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে ভোটের জয়ের কিছুদিনের মধ্যেই শপথ গ্রহণ করেন না নয়া রাষ্ট্রপতি। মাঝে দায়িত্বে থাকেন বিদায়ী রাষ্ট্রপ্রধানই। ৪০ বছর পর আরও একবার একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটতে চলেছে মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধানেপ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে।
প্রচন্ড ঠাণ্ডার কারণে এবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন হতে চলেছে। আমেরিকার হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সোমবার শৈত্যপ্রবাহ হাতে পারে রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে। প্রবল ঠাণ্ডার সঙ্গে হতে পারে তুষারপাতও। আবহাওয়ার জন্যই প্রথা মেনে ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ের উদ্যানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠান এবার হবে না তার পরিবর্তে ক্যাপিটল ভবনেরই রোটান্ডায় সোমবার দুপুরে ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান হবে। সেইসঙ্গে এবং নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের শপথ অনুষ্ঠানও হবে।

দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন ট্রাম্প। তাঁর প্রথম ভাষণ এবং অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া অতিথিদের বক্তব্য শোনা যাবে ক্যাপিটলের অন্দর থেকেই। বাইরে পর্দায় সেই অনুষ্ঠান সরাসরি দেখানো হবে। সাধারণ মানুষ সেখানেই ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান দেখতে পাবেন।
মার্কিন প্রসাশন সূত্রের খবর, হিমাঙ্কের নীচে তাপমাত্রা নেমে গেলে আকাশের নীচে ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন অতিথিরা। মাইনাস ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে ওয়াশিংটনের তাপমাত্রা।তা মাথায় রেখেই অনুষ্ঠানস্থল বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরআগে ১৯৮৫ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে একই রকম আবহাওয়ার কারণে ক্যাপিটল ভবনেরই রোটান্ডায় শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান হয়।
শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের স্থান বদল প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটনে তীব্র ঠান্ডা পড়ার পূর্বাভাস রয়েছে। এই আবহাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত।মি চাই না কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ুক কিংবা কেউ জখম হোক। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি প্রথম বার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শপথ নিয়েছিলেন প্রথা মেনে ক্যাপিটল উদ্যানে। ঠান্ডা হাওয়া এবং ঝিরঝিরে বৃষ্টির মধ্যেই।
বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশনা এবং উদ্বোধনী বক্তব্য শুরু হবে মূল অনুষ্ঠান। প্রাক্তন আমেরিকান আইডল বিজয়ী ক্যারি আন্ডারউড অনুষ্ঠান চলাকালীন আমেরিকা দ্য বিউটিফুল পরিবেশন করবেন , লি গ্রিনউড, যিনি ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের বন্ধু, রবিবার তার বিজয় সমাবেশে পারফর্ম করবেন।
প্রথাগতভাবে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো না হলেও, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতালির ডানপন্থী নেত্রী জর্জিয়া মেলোনি, হাঙ্গেরির ভিক্টর অরবান, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার মিলেই এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাম নেই আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায়। ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে থাকবেন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।












Click it and Unblock the Notifications