চিনের সঙ্গে সীমান্ত যুদ্ধে জয়! ভারতকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য আমেরিকার, দাবি সংবাদ মাধ্যমের
চিনের সঙ্গে সীমান্তে যুদ্ধ জয়ে সরাসরি মার্কিন সেনাবাহিনীর সাহায্য ভারতকে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে, সেখানকার একটি সংবাদ মাধ্যমে। বলা হয়েছে, গত বছরের শেষের দিকে হিমালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ভারত চিনের অনুপ্রবেশকে প্রতিহত করে। যা নাকি চিনের ধারনার বাইরে ছিল। আমেরিকার ওই সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী এব্যাপারে ভারতীয় সেনাকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছিল।

আমেরিকার রিয়েল টাইম তথ্য
ভারতের সীমান্তে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির অনুপ্রবেশের অভিযোগ উঠেছে বারে বারে। কোনও সময় তারা সরে গিয়েছে, আবার কোনও সময় তারা সেই দখল করা জমি নিজেদের বলে দাবি করেছে। তবে এবারই প্রথম মার্কিন সেনাবাহিনী চিনের সেনাবাহিনীর অনুপ্রবেশের আগেই সেই তথ্য ভারতের সেনাবাহিনীকে দিয়েছে। সেই এলাকা অরুণাচল প্রদেশে বলে প্রকাশিত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। আমেরিকা যে তথ্য দিয়ে ভারতকে সাহায্য করেছে, তার মধ্যে রয়েছে অ্যাকশনেবল স্যাটেলাইট ইমেজ।

পিছু হটে চিনের সেনা
গত বঠছরের ৯ ডিসেম্বর পরবর্তী সময়ে দুদেশের মধ্যে সংঘর্ষে শত শত সেনা জড়িয়ে পড়েথিল। তবে সেখানে আগেকার সংঘর্ষে মৃত্যুর ঘটনার মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি। শারীরিক আঘাতেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। ফল স্বরূপ সেনা পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়। প্রকাশিত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে মার্কিন তথ্যে ভারত প্রস্তুত হওয়ার সময় পেয়ে গিয়েছিল। সেখানে আরও বলা হয়েছে, এখানে ভারত ও আমেরিকার সেনাবাহিনী কীভাবে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা করছে এবং তথ্য ভাগ করে নিচ্ছে তার প্রকাশ হয়েছে।

ক্ষুব্ধ পিপলস লিবারেশন আর্মি
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী মার্কিন সেনাবাহিনীর সাহায্যে ক্ষুব্ধ চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। কেননা ভারত আগে ভাগেই সতর্ক হয়ে যাওয়ায় বেজিং সীমান্ত জমি দখলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হয়েছে। তবে এব্যাপারে কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেছে চিনের সরকার। প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের এই ঘটনার আগে নন্দা দেবী শৃঙ্গে যৌথ মহড়া চালায় ভারত ও আমেরিকা। সেই ঘটনাও ক্ষুব্ধ করে বেজিংকে।

চিন আগে মহড়া শুরু করেছিল
মার্কিন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, চিন ওই এলাকায় নতুন জায়গা দখল করতে পরীক্ষামূলক সেনা মহড়া শুরু করেছিল। কিন্তু গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তা আগেভাগেই চিহ্নিত করে ফেলে ভারতের সেনাবাহিনী।
রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালে গালোয়ান পরবর্তী সময়ে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদান নিয়ে চুক্তি হয়। তার ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ। এক্ষেত্রে সীমান্তে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে সীমান্তের পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলেও জানানো হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications