India Canada Khalistani Row: ‘কানাডার দাবিকে গুরুত্ব দিক ভারত,’ ট্রুডোর পক্ষ নিয়ে দিল্লিকে ‘পরামর্শ’ আমেরিকার
India Canada Khalistani Row: খলিস্তানি বিতর্কে ক্রমশ চড়ছে পারদ। খলিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের (Nijjar Death Row) ঘটনায় কানাডার দাবি নিয়ে এবার আসরে আমেরিকা (USA backs Canada)। কানাডার অভিযোগকে গুরুতর বলে পক্ষ নিল আমেরিকা। কানাডার দাবিকে ভারত গুরুত্ব দিক বলেও পরামর্শ আমেরিকার।
ভারত ও কানাডার মধ্যে চলা বাদানুবাদ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্নের মুখোমুখি হন মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার। কানাডার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, "আমরা স্পষ্ট করে দিয়েছি যে কানাডার অভিযোগকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। আমরা চেয়েছিলাম ভারত সরকার কানাডার তদন্তকে সাহায্য করুক। তবে ভারত অন্য পথ বেছে নিয়েছে।"

নিজ্জর খুনের ঘটনায় ভারতীয় গুপ্তচরদের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে কানাডা। গত ১৮ সেপ্টেম্বর এনিয়ে কানাডার হাউস অফ কমন্সে বিবৃতি পেশ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিব ট্রুডো (Justin Trudeau)। নির্ভরযোগ্য সূত্রের উপর ভিত্তি করেই এই বিবৃতি বলে দাবি করেন ট্রুডো। আর এরপরই মাথাচাড়া দেয় বিতর্ক। কানাডার অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন ও প্ররোচনামূলক বলে জানিয়েছে ভারত।
ভারতের বিদেশমন্ত্র্রক সাফ জানিয়েছে,"প্রথম থেকেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রতি শত্রুতাপূর্ণ আচরণ করে এসেছেন। ২০১৮ তে ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে ভারত সফরে আসেন ট্রুডো। এমনকি তাঁর মন্ত্রিসভাতেও ভারত বিরোধী উগ্রপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সদস্যরা রয়েছেন। ২০২০ তে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তাঁর নাক গলানোতেই প্রমাণ হয়ে গিয়েছিল ট্রুডোর দৌড় কতদূর।"
এদিকে ভারত কানাডা সম্পর্ক (India Canada Relations) যখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, তখন আসরে নেমেছে নিউজিল্যান্ডও (New Zealand Supports Canada)। নিউজিল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, কানাডার দাবি যদি সত্যি হয় তাহলে তা উদ্বেগের। তদন্তাধীন বিষয়ে আমরা মন্তব্য করতে চাই না। কিন্তু আইন ও বিচারব্যবস্থা প্রতি প্রত্যেক দেশের শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত।
কানাডার অভিযোগের পাল্টা বারবার প্রমাণ চেয়েছে নয়াদিল্লি। যদিও সেই প্রমাণ আজও দিতে পারেনি ট্রুডোর সরকার। নিজ্জর খুনের তদন্তে সম্প্রতি কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার সঞ্জয় ভার্মা-সহ কয়েকজন ভারতীয় কূটনীতিবিদদের 'পারসন অফ ইন্টারেস্ট' বলা হয়। এরপরই কড়া বার্তা দেওয়া হয় দিল্লির তরফে।
কড়া পদক্ষেপের পথেও হাঁটে ভারত। কানাডা থেকে ভারতীয় হাইকমিশনার সহ বেশ কয়েকজন কূটনীতিবিদকে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা করা হয়। এমনকি ভারতে নিযুক্ত কানাডার ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার সহ ছয় কূটনীতিবিদকে বের করে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেয় বিদেশমন্ত্রক। কানাডায় সংসদীয় নির্বাচনের আগে নিজ্জর হত্যার প্রসঙ্গ টেনে ট্রুডোর সরকার ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করছে বলে দাবি কূটনৈতিক মহলের।












Click it and Unblock the Notifications