মোদীর প্রতি হুঁশিয়ারির বদলে এবার প্রশংসার সুর ট্রাম্পের গলায়!
করোনার প্রকোপে জর্জরিত গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে করোনা প্রকোপ থেকে বাঁচার কোনও ওষুধ বা প্রতিষেধকই পরীক্ষিত নয়, তাই বাজারেও আসেনি সেগুলি। বেশ কয়েকটি দেশ করোনার ওষুধ আবিষ্কার করার দাবি জানালেও তা এখনও পরীক্ষিত নয়। তাই বর্তমানে সবারই ভরসা হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন।

হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইনের চাহিদা তুঙ্গে
আর এই কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতবর্ষে করোনার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইনের রফতানির উপরে থাকা বিধিনিষেধ সরিয়ে নেওয়ার জন্য একপ্রকার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সোমবার।

মোদী সরকারের প্রতি ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
সোমবার করোনা ভাইরাস টাস্কফোর্স ব্রিফিংয়ের সময় হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, 'আমি রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে কথা বলেছি এবং আমি বলেছি যে আপনি যদি আমাদের হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন সরবরাহ করেন তবে আমরা এই পদক্ষেপকে সম্মান করব। যদি তা না করেন তবেও আমাদের কিছু বলার নেই। কিন্তু হ্যাঁ, আমাদের থেকেও এরপর এমনই ব্যবহার পাবেন তা জেনে রাখবেন।'

ট্রাম্পের দাবি মেনে নেয় ভারত
তবে সেই হুঁশইয়ারি থেকে এবার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে অন্য সুর শোনা গেল ট্রাম্পের গলায়। সৌজন্যে, ভআরতের ওষুধ রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া। মঙ্গলবার ভারত ওষুধ রফতানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব এই বিষয়ে বলেন, 'মহামারীর প্রভাব দেখে ভারত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আন্তর্জাতিক বিশ্বের সংহতি ও সহযোগিতা বজায় রাখবে দেশ। করোনা ভাইরাস থেকে নিরাময়ে সক্ষম প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হবে অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতেও।'

১৮০ ডিগ্রি বদল ট্রাম্পের গলায়
এরপরই মঙ্গলবার রাতে এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'আমেরিকা ভারতের থেকে ২৯ মিলিয়ন ডোজ হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন কিনেছি। এর মধ্যে সিংহভাগই আমরা ভারতের থেকে কিনেছি। এর আগে আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ফোন করে ওষুধের রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা তোলার অনুরোধ করি। উনি মহান ব্যক্তি। এর আগে ভারত নিজেদের প্রয়োজনেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তবে বৃহত্তর স্বার্থে সেই নিষেধাজ্ঞা তোলা হল।'












Click it and Unblock the Notifications