মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০১৬: ট্রাম্প না হিলারি, কে জিতবেন হোয়াইট হাউসের দৌড়?
আর মাত্র কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা। তারপরই শুরু হবে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। গোটা দুনিয়া এখন শুধু একটা প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন? ট্রাম্প না হিলারি?
ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর : আর মাত্র কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা। তারপরই শুরু হবে বহু চর্চিত, আলোচিত মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। গোটা দুনিয়া এখন শুধু একটা প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন? ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিন্টন না রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
একেবারে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর হচ্ছে। লড়াইটা মোটেই একতরফা হচ্ছে না। আর তাই শেষ মুহূর্তেও হিলারি খুব সামান্য এগিয়ে থাকলেও স্বস্তিতে থাকতে পারছেন না হিলারি ক্লিন্টন।

মার্কিন মুলুকে এর আগে এত আক্রমণাত্ম নির্বাচনী প্রচার সেভাবে দেখা যায়নি। প্রচার পর্বের শুরু থেকেই একেবারে প্রতিপক্ষ হিলারিকে আক্রমণ শানিয়ে গিয়েছেন ট্রাম্প। একগুচ্ছ অভিযোগ, ব্যক্তিগত আক্রমণ, বড় বড় প্রতিশ্রুতি কোনওকিছুই বাদ দেননি ট্রাম্প। পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েননি হিলারিও।
তবে, ইমেল ফাঁস বিতর্কের জেরে বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে হিলারিকে। তবে নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এসে এফবিআই-এর তরফে ইমেল বিতর্কে হিলারি ক্লিনচিট পাওয়ায় ডেমোক্র্যাটদেক ক্ষেত্রে তা সত্যিই অনেকটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প
সফল ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্প এবছর ১৯ জুলাই মার্কিন সেনেটর টেড ক্রুজকে হারিয়ে রিপাবলিকান রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হয়েছেন। তবে নির্বাচনী প্রচারের প্রথম থেকেই খবরের কেন্দ্রবিন্দুতেত থাকতে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে নিজের জন্যই সমস্যা তৈরি করেছিলেন।
ট্রাম্পের ভাষা অশ্লীল, যৌন সুড়সুড়ি দেওয়া বলে বারবার সমালোচনা করেছে মিডিয়া। মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসাবে সবচেয়ে অযোগ্য বলেও মিডিয়ার তরফে মন্তব্য করা হয়েছে। শুধু তাই নয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিদেশি মুসলমানদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার অস্থায়ী প্রস্তাব দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প নিজের অবস্থান ঘন ঘন বদল করেন এবং বিতর্কিত ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে থাকেন বলেও মিডিয়ার একাংশ অভিযোগ তুলেছে।
হিলারি ক্লিন্টন
হিলারির নির্বাচনী প্রচার মূলত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর আয়, সর্বসাধারণের জন্য প্রিস্কুলের প্রতিষ্ঠা, কলেজের পড়াশোনা আরও সাশ্রয়ী করা প্রভৃতি কেন্দ্রিক ছিল।
ডেমোক্রেটিক সেনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের তরফে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েও তাঁকে হারিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ডেমোক্র্যাট পদপ্রার্থী হয়ে উঠে এসেছেন প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিন্টন।
হিলারিকে নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, মার্কিন সচিব থাকাকালীন সরকারি কাজের জন্য সরকারি ইমেল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার না করে পরিবারের বেসরকারি ইমেল সার্ভারের ব্যবহার করেছেন তিনি। এই অভিযোগকে হাতিয়ার প্রচার পর্বে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্র।
নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। মার্কিন নাগরিকরা নিজেদের মত দেবেন দেশের আগামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য। এই দৌড়ে কে এগোয় এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications