US Presidential Election: ট্রাম্প-কমলা দ্বৈরথে শেষ হাসি কার? জনমত নয়, খেলা ঘোরাবে ইলেক্টোরাল কলেজ!
US Presidential Election: ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। সূত্রের খবর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত থাকলেও, জয়ে সহায় হবে অঙ্গরাজ্যগুলির (Swing States) ইলেকটোরাল কলেজের ভোট (Electoral College)। ইলেকটোরাল কলেজের মাধ্যমে অনায়াসেই জয়ী হবেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী। এমনটাই মত তথ্য বিশেষজ্ঞ হ্যারি এন্টেনের।
হ্যারির মতে, প্রায় ৩০০টিরও বেশি ইলেকটোরাল কলেজের ভোট পেয়ে জয়ী হবেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী (President Candidate)। ৬০ শতাংশ এমনই সম্ভাবনা বলে জানান তিনি। সুইং স্টেট বা নীতি নির্ধারক রাজ্যের মহিমায় অনায়াসেই জয় পাবেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট।

- কী এই ইলেকটোরাল কলেজ?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভোটাররা সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন (US Presidential Election) করেন না। ইলেকটোরাল কলেজ নামে এক পদ্ধতিতে হয় চূড়ান্ত ফয়সালা। ভোটাররা তো ভোট দেবেনই। কিন্তু একেকটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনী লড়াইয়ের মাধ্যমেই জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকটোরাল কলেজে মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮। মোট ৫০টি অঙ্গরাজ্যের একটি জয়ী হলেই সেই রাজ্যের সবকটি ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে যাবেন জয়ী প্রার্থী। ভোটারদের দেওয়া সরাসরি ভোটে যিনি জয়ী হন, সাধারণত অঙ্গরাজ্যগুলির ইলেকটোরাল কলেজের ভোটও সেদিকেই যায়। জনসংখ্যার মোটামুটি সমানুপাতিক ইলেক্টোরাল ভোট থাকে অঙ্গরাজ্যগুলির হাতে।
এব্যাপারে বিগত নির্বাচনের উদাহরণ টানেন হ্যারি। তিনি বলেন, ২০১২ তে ৯২ শতাংশ সুইং স্টেটই বারাক ওবামার পক্ষে ভোট দেয়। ২০১৬ তে অঙ্গরাজ্যগুলির ৮৩ শতাংশ সমর্থন পান ডোনাল্ড ট্রাম্র (Donald Trump)।
২০২০-তে আবার অঙ্গরাজ্যগুলির পূর্ণ সমর্থন পান ট্রাম্প। এই একই প্রবণতা ধরে চললে ২০২৪ সালেও একজন প্রার্থীই ইলেকটোরাল কলেজের সিংহভাগ সমর্থন পেয়ে ভোটে জিতবেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটদের কমলা হ্যারিস (Kamala Harris) ও রিপাবলিকানদের ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তবে কি জনগণের ব্যক্তিগত ভোটের কোনোই মূল্য নেই? ভোটারদের একাংশের একথা মনে হলেও সাধারণত অঙ্গরাজ্যের নির্বাচকমণ্ডলী সাধারণ মানুষের ভোটে যে প্রার্থী জিতেছেন তাকেই ভোট দিয়ে জয়ী করেন। তবে তা না হলে, সাধারণ মানুষের ভোটে জয়ী প্রার্থীর তাই নির্বাচনে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।












Click it and Unblock the Notifications