ইউক্রেনকে কামিকাজ 'সুইসাইড ড্রোন' দিল আমেরিকা, জেনে নিন এই অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র সম্পর্কে
ফেব্রুয়ারির শেষে ইউক্রেন আক্রমণ করেছিল রাশিয়া, তারপর প্রায় দেড়মাস যুদ্ধে একের পর এক অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার হছে। বিশ্বের অন্যতম সেরা সামরিক শক্তি রাশিয়ার আক্রমণে ছিন্নভিন্ন অবস্থা ইউক্রেনের৷ ন্যাটো জোটের কোনও দেশ সরাসরি যুদ্ধে পাশে দাঁড়ায়নি ইউক্রেনের৷ কিছুদিন আগে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে ভ্যাকিউম বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে৷ সেই অস্ত্রের পর এবার ইউক্রেনের সহায়তায় আত্মঘাতী ড্রোন পাঠাল বাইডেন সরকার৷

ইউক্রেনে সেনা পাঠিয়ে সরাসরি সাহায্য না করলেও তাদের অর্থ এবং যুদ্ধ সরঞ্জাম, অস্ত্র পাঠিয়ে সাহায্য করছে আমেরিকা। বুধবার রাশিয়ান সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আমেরিকা মোট ১০০ টি ড্রোন পাঠিয়েছে ইউক্রেনে৷ তারা জানিয়েছে, মার্কিন সরকারের একজন আধিকারিকই এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। পেন্টাগনের কর্মকর্তা অবশ্য জানাননি যে কোন ধরনের ড্রোন পাঠানো হয়েছে। রুশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনে সুইচেবল ড্রোন পাঠানো হয়েছে। এই ধরনের ড্রোন মূলত সেনা ট্যাঙ্ক এবং অস্ত্রসজ্জিত গাড়ি উড়িয়ে দেয়।
এই মুহূর্তে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যুদ্ধ। রাশিয়ান সেনা ক্রমাগত শেলিং করে চলেছে। বোমারু বিমানের হানা, ভারী ভারী ট্যাঙ্কের গোলাগুলিতে ছিন্নভিন্ন অবস্থা ইউক্রেনের। এমতাবস্থায় এই ড্রোন নিঃসন্দেহে শক্তি বাড়াবে ইউক্রেন সেনার৷ এই ড্রোনের পোশাকি নাম কামিকাজে ড্রোন। যুদ্ধক্ষেত্রে মাত্র একবারই ব্যবহার করা যায় এগুলিকে। এই ধরনের ড্রোন সরাসরি উড়ে যায় লক্ষ্যবস্তুর দিকে। লক্ষ্যবস্তুর কাছে পৌঁছোনো মাত্রই বিষ্ফোরণ ঘটে৷ ট্রাক, ট্যাঙ্ক হোক বা সেনার সাজোয়া গাড়ি! চোখের নিমেষে ধ্বংস হয় প্রতিপক্ষ৷ সর্বোচ্চ ৪০ কিমি দূর থেকে এই অস্ত্র ব্যবহার করা যায়৷।
কেমব্রিজ অভিধান অনুযায়ী, 'কামিকাজে আক্রমণ'এর আক্ষরিক অর্থ হল আচমকা আত্মঘাতী আক্রমণ। আত্মঘাতী আক্রমণ অবশ্য নতুন কিছুই না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বহুক্ষেত্রেই আত্মঘাতী আক্রমণ করা হয়েছে। বিশেষত জাপানি যুদ্ধবিমানগুলির লক্ষ্যবস্তুর ওপর আত্মঘাতী হামলার গল্প এখন অনেকেই জানে।












Click it and Unblock the Notifications