'সঠিক পক্ষ নেওয়ার সময়ে এসেছে', রাশিয়া নিয়ে ভারতের অবস্থানকে কটাক্ষ আমেরিকার
মাস ঘুরলেও এখনও থামেনি রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধ! ইতিমধ্যে রাশিয়ার উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আমেরিকা সহ একাধিক দেশ ইতিমধ্যে রাশিয়ার উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই অবস্থায় রাশিয়া ইস্যুতে অবস্থান নিয়ে আমের
মাস ঘুরলেও এখনও থামেনি রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধ! ইতিমধ্যে রাশিয়ার উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আমেরিকা সহ একাধিক দেশ ইতিমধ্যে রাশিয়ার উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই অবস্থায় রাশিয়া ইস্যুতে অবস্থান নিয়ে আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার তোপের মুখে পড়তে হল ভারতকে। রাশিয়ার পক্ষ নেওয়ার জন্যে এবার সরাসরি তোপ দুই সুপার-পাওয়ার দেশের।

বৃহস্পতিবারই ভারতে এসেছেন রাশিয়ান বিদেশমন্ত্রী। দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সারতে দিল্লিতে এসেছেন তিনি। আর এই দিনেই পুতিনের যুদ্ধকে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে বলে কটাক্ষ করল আমেরিকা। এদিন আমেরিকার কর্মাস সেক্রেটারি গিনা রাইমন্ড (Gina Raimondo) ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, বিশ্বের ইতিহাসের সঠিক পক্ষ নেওয়ার সময়ে এসেছে এবার। আমেরিকা এবং অন্যান্য দেশ যারা ইউক্রেনের মানুষের জন্যে সাহায্য এবং গনতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলছে তাঁদের পাশে থাকা উচিৎ। পুতিনের যুদ্ধকে উস্কানি দেওয়া নয়।
পুতিনের পাশে দাঁড়ানোকে 'গভীর হতাশাজনক' বলেও মন্তব্য করেছেন গিনা রাইমন্ড। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার মন্ত্রী ডেন তেহান একই সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, প্রত্যেক গণতন্ত্রের জন্যে একজোট হয়ে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ।
আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার এই মন্তব্য বুঝিয়ে দিয়েছে তাঁদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে একটা অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে। কোয়ার্ড সদস্য হিসাবে পরিচিত আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ভারতের মত পার্থক্য বাড়ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিকমহলের একাংশ।
এমনকি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের দাপট নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোয়ার্ড দেশ হিসাবেই ভারত, অস্ট্রেলিয়া আমেরিকা এবং জাপান এক সঙ্গে কাজ করে থাকে। আর সেই দেশগুলির সঙ্গেই ইউক্রেনের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বিরোধ তৈরি হচ্ছে। এদিকে আবার রাশিয়া থেকে সবথেকে বেশি অস্ত্র কেনে ভারত। সেই সঙ্গে সস্তায় রাশিয়া থেকে তেল কেনারও চেষ্টা করছে ভারত।
একদিকে ভারত যুদ্ধের বিপক্ষে আলোচনা করছে আবার অন্যদিকে রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে। যা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে আমেরিকা ঘনিষ্ঠ দেশগুলির মধ্যে। আর এই অবস্থায় রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর বিষয়টিকে আরও ইন্ধন দিয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের উপর হামলা করেছে রাশিয়া। এই অবস্থায় একাধিকবার ভারতের কাছে সাহায্য চেয়েছে ইউক্রেন। তবে এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়ান বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর। যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। আগামীকাল শুক্রবার মোদীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বিদেশমন্ত্রী। এখন দেখার পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়।












Click it and Unblock the Notifications