ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের আলোচনার প্রশ্নে শর্ত দিয়ে রাখলেন ইমরান! চড়ছে কাশ্মীর-পারদ
জম্মু ও কাশ্মীরের বিষয়ে ইতিমধ্যেই নয়া দিল্লির বুকে এক হাইভোল্টেজ বৈঠক করে ফেলেছেন নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে হাজির ছিলেন কাশ্নীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী থেকে একাধিক তাবড় নেতারা। সেখানে কাশ্মীরের উন্নয়নের প্রসঙ্গ ওঠে। বৈঠকের আগে থেকেই সেখানে ৩৭০ ধারা নিয়ে বহু জল্পনা ছিল। এদিকে, এরপরই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সাফ জানিয়েছেন যে যতক্ষণ না পর্যন্ত ভারত কাশ্মীর নিয়ে নিজের সিদ্ধন্ত বদল করছে, ততক্ষণ দিল্লি-ইসলামাবাদ বৈঠক হবে না।

জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগেই ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি 'ব্যাক চ্যানেলে' আলোচনা শুরু হয়। সেই ঘটনার পর এদিন পাকিস্তানের জাতীয় আ্যাসেম্বলিতে বক্তব্য রাখেন ইমরান খান। তিনি সাফ জানান যে ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট ভারত কাশ্মীরকে নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা বদল না করলে দুই দেশের কোনও রকমের আলোচনা হবে না। প্রসঙ্গত, একাধিক বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে গত কয়েকদিন ধরে দেশের মধ্য প্রবল সমালোচনার মুখে রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেদিক থেকে দেশবাসীর নজর সরানোর জন্যই এদিন ফের একবার কাশ্নীর-কার্ড ইমরান খেললেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে এই সমস্ত বিতর্ক পার করে ইমরান জানিয়ে দেন যে আপাতত তিনি বা তাঁর দেশ ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নয়।
এদিকে, পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখার সময় ইমরান খান সাফ ভাষায় জানিয়ে দেন যে পাকিস্তানের প্রতিটি নাগরিকই রয়েছেন কাশ্মীরবাসীর সঙ্গে। এর আগে ভারত জানিয়ে দেয় যে , দিল্লি সমস্ত প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে স্বাভাবিক প্রতিবেশী সুলভ সম্পর্ক রাখতে চায়। ভারত এও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে পাকিস্তানের সঙ্গে সেদেশ সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে যে পরিবেশে হিংসা, সন্ত্রাস থাকবে না, সেই পরিবেশে এমন আলোচনা চায় ভারত। এরপরই এই মর্মে বক্তব্য রেখে ইমরান খান নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। প্রসঙ্গত, জম্মুতে কয়েকদিন আগেই বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোনের ঘোরাফেরা ও বিস্ফোরণের পর ইমরানের বক্তব্য বেশ তাৎপর্যবাহী বলে মনে করছে একাধিক মহল।












Click it and Unblock the Notifications