বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলার নিন্দা, রাষ্ট্রসংঘ জাতিগত হিংসার বিরুদ্ধে, আর কী বললেন মহাসচিব
সোমবার শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়ার পর থেকে সেদেশে নৈরাজ্য চলছে। বৃহস্পতিবার মহঃ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেওয়ার পরেও তা বন্ধ হয়নি। এই সময়ের মধ্যে সেদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপরে হামলার বহু ঘটনা ঘটেছে। ধর্মীয়স্থানে হামলা থেকে সম্পত্তি কিংবা ব্যবসায়িক জিনিসপত্র লুটের ঘটনা ঘটেছে বহু।
বাংলাদেশের ঘটনায় ভারত-সহ অন্য অনেক দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারই মধ্যে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের শুক্রবার বলেছেন, বাংলাদেশে বর্তমান হিংসায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপরে হামলা বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘ।

মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক আন্তোনিও গুতেরেসের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেছেন, রাষ্ট্রসংঘ স্পষ্ট করেই বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, তা থিতু হয়ে এসেছে। রাষ্ট্রসংঘ যে কোনও জাতিভিত্তিক আক্রমণ বা হিংসায় যে কোনও উস্কানির বিরুদ্ধে। বাংলাদেশে চলা হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ কোনও আনুষ্ঠানিক তদন্তে অংশ নেবে কিনা, এই প্রশ্নের জবাবে ফারহান হক বলেছেন, নতুন প্রশাসনের এমন কোনও অনুরোধের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
প্রসঙ্গত, গত একসপ্তাহ ধরে হিন্দুদের মন্দির, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই দরনের অসংখ্য ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। পুরোটাই হয়েছে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে।
বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, সেদেশের অন্তত ২৭ টি জেলায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়েছে। হিন্দুদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। যে কারণে অনেকের মৃত্যু হয়েছে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে বিশৃঙ্খলায় মৃতের সংখ্যা প্রায় আড়াইশো। আর জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে এখনও পর্যন্ত চলতি হিংসায় মৃতের সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচশো।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে মহঃ ইউনূসের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া রাষ্ট্রসংঘরের প্রতিনিধি গউইন লুইস বলেছেন, রাষ্ট্রসংঘ ইউনূসের শান্তি ও অন্তর্ভুক্তির আহ্বানকে সমর্থন করতে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ।












Click it and Unblock the Notifications