Ukraine-Russia War: যুদ্ধ বিরতির মাঝেই নির্মম রুশ সেনা, নাগরিকদের উপরে নির্বাচারে গুলি, প্রাণ গেল শিশুদের
Ukraine-Russia War: যুদ্ধ বিরতির মাঝেই নির্মম রুশ সেনা, নাগরিকদের উপরে নির্বাচারে গুলি, প্রাণ গেল শিশুদের
সাময়িক ভাবে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। মারমধ্যেই নির্বিচারে ইউক্রেনের নাগরিকদের উপর গুলি চালাল রুশ সেনা। সেসময় নাগরিকদের নিরাপদে শহর থেকে সরানোর প্রক্রিয়া চলছিল ইরপেনে। হঠাৎই এলোপাথারি গুলি চালাতে শুরু করে রুশ সেনা। কমপক্ষে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারমধ্যে ২টি শিশু বলে জানা গিয়েছে। রুশ সেনার এই নির্মম আচরণ ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

যুদ্ধ চলল ১০ দিন। তারপরে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করেছে রুশ সেনা। গত ১০ দিনে প্রায় দেড় লক্ষ ইউক্রেনের বাসিন্দা দেশছাড়া হয়েছেন। তাঁরা অন্যদেশে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তারই মধ্যে প্রায় শতাধিক ইউক্রেনের নাগরিক সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন দিয়েছে। এই অসম যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যাকে বলে বুক চিতিয়ে লড়েছে ইউক্রেন। সেকারণে গোটা বিশ্বের কাছে প্রশংসা কুড়িয়ে নিয়েছেন তাঁরা। দেশ বাঁচাতে সাধারণ নাগরিকরাও হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন। শিক্ষক থেকে শুরু করে বিউটি কুইন সকলেই কালাশ নিকভ হাতে তুলে নিয়েছিলেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট নিজে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন দেশ রক্ষার জন্য কারা এগিয়ে আসতে চান চলে আসুন। আমরা অস্ত্র চালানোর ট্রেনিং দেব। প্রেসিডেন্টের এই আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন হাজার হাজার দেশবাসী। তাঁরা এগিয়ে এসে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। রুশ সেনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িেয়ছেন তাঁরা।
রুশ বাহিনীর কামানের মুখের সামনে দাঁড়িয়ে রুখে দাঁড়াতে দেখা গিেয়ছে ইউক্রেনের জনতাকে। আবার রুশ সেনার সামনে চিৎকার করে প্রতিরোধ করতে দেখা গিয়েছে ইউক্রেনের এক মহিলা নাগরিকরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল সেই সব ছবি। এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে লড়াই থামানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। ইউরোপ থেকে আমেরিকা সব দেশের কাছে আর্জি জানিয়েছেন তিনি। গোটা বিশ্বের সিংহভাগ দেশ ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছেন। রাশিয়াকে বারবার যুদ্ধ থেকে প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তার জন্য রাশিয়ার উপরে একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইউরোপের দেশগুলি। এমনকী আমেরিকাও দফায় দফায় একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একের পর চাপ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে রাশিয়ার উপরে।
পুতিন প্রথম থেকেই ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সরব। কিছুতেই যু্দ্ধ থামাতে রাজি ছিল না। কিন্তু টানা ১০ দিনে ধ্বংসলীলার পর অবশেষে থামলেন তিনি। সাময়িক ভাবে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। মানবিকতার স্বার্থে নাগরিকদের নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সেফ করিডর তৈরির কথাও ঘোষণা করেছেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়াতেও পুতিনের বিরুদ্ধে এই নিয়ে তুমুল বিক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেই বিক্ষোভ সামাল দিতে নতুন আইন করেছে পুতিন সরকার। তাতে সেনা বাহিনীর কাজের বিরোধিতা করলে ১৫ বছরের কারাদণ্ডের সাজা হবে বলে জানানো হয়েছে। এই আইনের তীব্র সমালোচনা করেছে পশ্চিমের দেশগুলি। যদিও পুতিন আশ্বস্ত করেছেন ইউক্রেনের রাষ্ট্রের মর্যাদা ক্ষুন্ন হবে না।












Click it and Unblock the Notifications