Russia-Ukrain War: দেখতে দেখতে এক বছর পার, 'নতুন করে গড়ব দেশ' বার্তা জেলেনস্কির, ধ্বংস চান পুতিন
নতুন করে গড়ার ডাক ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলনস্কির
দেখতে দেখতে এক বছর পার করে ফেলল ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ। তার মাঝেই নতুন করে গড়ার ডাক দিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। এদিকে এখনও ধ্বংসের হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন পুতিন। যুদ্ধ থামানো তো দূরের কথা উল্টে পরমাণু হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট।

যুদ্ধের ১ বছর
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই হঠাৎ করে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল রাশিয়া। ইউক্রেনের সঙ্গে আমেরিকার বন্ধুত্ব এবং ন্যাটোতে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা কিছুতেই মেনে নিতে চাননি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমীর পুতিন। আমেরিকার সঙ্গে রাশিয়া শত্রুতা নতুন নয়। বরাবরই একে অপরের বিপক্ষেই থেকে এসেছে। রাশিয়ার প্রতিবেশি দেশ ইউক্রেন। ধারে বা ভারে কোনও দিক দিয়েই ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার তুলনা চলে না। তবু রাশিয়ার সঙ্গে বুক চিতিয়ে লড়াই করে চলেছে ইউক্রেন। গোটা বিশ্ব ইউক্রেন প্রেসিজেন্ট জেলেনস্কির এই সাহসিকতাকে কুর্নিস জানিয়েছে। সেই যুদ্ধও দেখতে দেখতে ১ বছর পূর্ণ করে ফেলল।

নতুন করে গড়ার বার্তা
রুশ মিসাইল হানায় ভেঙে গিয়েছে সাজানো গোছানো একাধিক শহর। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ। সাধারণ মানুষ সকলেই বিপর্যস্ত। তবে হাল না ছড়ার মনোভাব নিয়েই লড়ে যাচ্ছে ইউক্রেন। এই ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়েও নতুন করে গড়ার বার্তা দিয়েছেন জেলেনস্কি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্স জেলেনস্কি বলেছেন আবার তিনি নতুন করে দেশটি গড়ে তুলবেন। কিয়েভ, খেরসনের মতো বড় শহর গুলিকে টার্গেট করে মিসাইল হানা চালিয়েছে রাশিয়া। সাজানো গোছানো শহরগুলিকে দেখে মনে হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছিল। সেই শেষ থেকেই আবার নতুন করে শুরু করার বার্তা দিয়েছেন জেলেনস্কি

পরমাণু ভান্ডার শক্তিশালী করছেন পুতিন
এদিকে এরই মধ্যে পরমাণু শক্তির ভাণ্ডার শক্তিশালী করতে শুরু করেছে রাশিয়া। ভ্লাদিমীর পুতিন এখনও ইউক্রেনে ধ্বংসলীলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন। ইউক্রেনের অন্যতম প্রধান শিল্পতালুক ডোনবাসের দখল নিয়েছে রুশ সেনা। সেই শহরকে দখল মুক্ত করতে সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন। ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপুঞ্জের পক্ষ থেকে বারবার রাশিয়াকে যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানানো হয়েছে। ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন রাশিয়ার সঙ্গে সবরকম সম্পক্ক ছিন্ন করে ফেলেছে। তারপরেও দমতে রাজি নন পুতিন। তিনি হুঙ্কার দিয়েই চলেছেন ইউক্রেনকে।

জিনপিং যাচ্ছেন রাশিয়া
এই যুদ্ধে একমাত্র রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে চিন। সেই বন্ধু দেশকে পাশে পেয়েছে রাশিয়া। এবার রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই নিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ শুরু হয়েছে। তাহলে কি জোট বাঁধছে রাশিয়া-চিন। এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ করোনার কারণে গোটা বিশ্বেই কোনঠাসা চিন। জিনপিংও তাই শক্তিশালী কাউকে পাশে পেতে চাইছে। আবার রাশিয়াও এই যুদ্ধ ঘোষণার কারণে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। তাই রাশিয়াও কাউকে পাশে পেতে যাইছে। দুই দেশই নিজের স্বার্থে বন্ধুত্বের হাত বাড়াচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications