যুদ্ধ না শান্তি! রাশিয়া ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে তালিবানরা কী বার্তা দিল
রাশিয়া ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে তালিবানরা কী বার্তা দিল
গত বছর এক ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী ছিল আফগানবাসী। দিনটা ছিল ১৫ অগাস্টে। যেদিন আফগানিস্তান দখল নিয়েছিল তালিবান। কত মানুষকে দিতে হয়েছিল প্রাণ। বাস্তুচ্যুত হয়েছিল কত শিশু-সহ নরনারী। আজও যেন সেই ঘটনার চিত্র স্পষ্ট। বিশ্ববাসীর মনে প্রতিটি দিন আজও জ্বলজ্বল করছে। সেই তালিবানই আজ রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে কি বললেন? সমর্থন করল কাকে, কারই বা নিন্দা করল?

কী আর্জি জানালেন আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রক
সবার মতই শান্তিপূর্ণ ভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পক্ষে সওয়াল তারাও। ইসলামিক এমিরেটস অফ আফগানিস্তান ইউক্রেনের পরিস্থিতির উপর বিশেষ নজর রাখছে এমনটাই জানানো হয়েছে আফগান বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে। তাদের চিন্তা বাড়ছে সিভিলিয়ানদের মৃত্যু ঘিরে। দু পক্ষকেই শান্ত থাকার আর্জি জানিয়েছে তাঁরা। হিংসা থেকে দূরে থাকতে বলেছে। আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রক কিন্তু সুস্পষ্ট আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার আর্জি জানিয়েছে।

তালিবানরা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে কী বার্তা দিলেন
কয়েক মাস আগেই কিন্তু তালিবানরা জোর করে দখল নিয়েছিল আফগানিস্তানের। তখন তালিবান শাসন নিয়ে উঠেছিল অনেক প্রশ্ন। তালিবান শাসন দেখে ভয়ে গা শিউরে উঠেছিল সাধারণ মানুষ। তবে নিজেরা কঠিন শাসন করলেও রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধে নিয়ে তাঁরা শান্ত পরিস্থিতির কথা বলেছেন। এমনকি হিংসা থেকেও দূরে থাকার বার্তা তালিবানদের।

শুক্রবার ন্যাটো প্রধান কী বলেন
শুক্রবার ন্যাটো প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ বলেন, আমাদের এখন প্রধান চিন্তার বিষয় যে, রাশিয়া আক্রমণের পরে নিহত ও বাস্তুচ্যুত হচ্ছে তাদের নিয়ে। তিনি কিন্তু রুশ আক্রমণকে মোটেই সমর্থন করেন না। শান্তিপূর্ণ ভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথাই তিনি জানালেন।
উল্লেখ্য, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে বসেছিলেন মোদী। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, মারিউপোল ও ওডেসারের তীরে রাশিয়ান নৌবাহিনী পৌঁছে গিয়েছে। লক্ষ্য যেন স্থির থাকে লক্ষ্যভেদ না হয় আর ঠিক রাখতেই রাশিয়া কিন্তু উন্নতমানের অস্ত্র ব্যবহার করছে। আর এই কঠিন সময়ে ভারত কিন্তু চুপ করে বসে থাকতে পারছে না। উল্লেখ্য, রুশ প্রেসিডেন্টকে নমো বলেন, যেসব ভারতীয় নাগরিক ইউক্রেনে আছেন বিশেষত পড়ুয়ারা তাঁদের নিরাপত্তার জন্য আর্জি জানান।
অপরদিকে, ইউক্রেনের পরিস্থিতির কথাও মোদীকে জানান পুতিন। তবে, ন্যাটো ও রাশিয়ার মধ্যে যে কঠিন সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে তা আলোচনার মাধ্যমে মিটবে বলে রুশ প্রেসিডেন্টের কাছে আশা রাখেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ফোনে প্রায় আধ ঘণ্টার কাছাকাছি তাঁদের দু'জনের কথা হয়। আটকে থাকা ভারতীয় ও পড়ুয়াদের বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications