Ukraine-Russia Conflict:তলানিতে রুবেল, দাম পড়ল ইউরোর! তবে কি বিশাল আর্থিক মন্দার দিকে বাজার?
তলানিতে রুবেলের দাম
রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তেনিও গুত্তেরেসের শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর একের পর এক হুঁশিয়ারি, এমনকি রাশিয়ার উপর আমেরিকা ইউরোপের একগুচ্ছ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, জো বাইডেনের চোখ রাঙানি, কিছুই ধোপে টেকেনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সামনে। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় ভোরবেলা সকলকে অবাক করে ইউক্রেনের উপর সামরিক অভিযান চালিয়েছে রাশিয়া। আর এই ঘটনার সরাসরি প্রভাব গিয়ে পড়েছে বিশ্ব বাজারে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একদিকে যেমন দাম বাড়ছে সোনা, রুপো, তেলের মত জিনিসের ঠিক তেমনই জোরদার ধাক্কা খেয়েছে শেয়ার মার্কেট। আর ঠিক তেমনই তথৈবচ অবস্থা মুদ্রাবাজারেও। অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ ব্যাংকের কৌঁশলী জোসেফ ক্যাপুরসো জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন ভালো হওয়ার বদলে খারাপের দিকেই যাবে। বর্তমান পরিস্থিতি দেখে যা মনে হচ্ছে তাতে আন্তর্জাতিক মুদ্রার দাম আরো কমতে চলেছে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোন মুদ্রার পরিস্থিতি কী।

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে এক অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা রাশিয়ান মুদ্রায় বিনিয়োগ করার থেকে দশ হাত দূরে পালাতে চেষ্টা করছেন, অন্তত এমনটাই বলছে বিশ্ব বাজার। এই পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রাও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সঙ্গে যোঝার চেষ্টায় আছে। বর্তমান পরিস্থিতি মুদ্রার মূল্যের ওপরেও প্রভাব ফেলেছে বিস্তর।

আন্তর্জাতিক বাজারে প্রভাব
ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। কমে গিয়েছে অর্থের মূল্য। রাশিয়ার রুবেলের মূল্য সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী বলেন, রাশিয়া পূর্ণ মাত্রায় আগ্রাসন শুরু করেছে, আর তার জন্য প্রয়োজনীয় যা ব্যবস্থা নেওয়ার ইউক্রেন নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সেই দেশের প্রধান। কিন্তু এরই মধ্যে ইউক্রেনের স্টক মার্কেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের পাবলিক ডেট সার্ভিসিং এর কাজ ছাড়া দেশের সমস্ত নিরাপত্তার সার্কুলেশন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

রুবেলের মহা পতন
রুবেল প্রতি ডলারে মূল্য ৮৯.৯৮ এর মতো কমে গিয়েছে। মার্কিন মুদ্রা রাশিয়ান মুদ্রার বিপরীতে ৭ শতাংশ বেড়েছে, বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে মুদ্রা বিক্রির চাপ তৈরি হয় সেখানে। পাশাপাশি কমে গিয়েছে ইউরোর মূল্য। ৩১ জানুয়ারির তুলনায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে ইউরোপিয় কারেন্সির বাজার দর। এক ধাক্কায় ইউরোর মূল্য ০.৮৪ শতাংশ কমেছে বলে জানা গিয়েছে।
ইউরো সর্বশেষ ০.৩ শতাংশ কমে ১.০৩৫২ ফ্রাঙ্কে রয়েছে। তবে এইসবের মধ্যে মার্কিন ডলার প্রাথমিকভাবে বেড়েছে। ৩১ জানুয়ারী থেকে প্রথমবারের মতো বেড়েছে মার্কিন অর্থের সূচক।

কোথায় দাঁড়িয়ে ইয়েন?
জাপানের ইয়েন ০.২ শতাংশ বেড়ে ১১৪.৭৪-পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। কমেছে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ও নিউজিল্যান্ডের ডলার। অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৯০ শতাংশ কমে ০.৭১৬৭ পয়েন্টে এসে ঠেকেছে। পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডের ডলারও বৃহস্পতিবার ১ শতাংশ কমে ০.৬৭০৬ এসে দাঁড়িয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications